সিনেমাস্কোপ বলতে কি বোঝায়?

বছর আষ্টেক আগের কথা।
মনের মাঝে তুমি নামে মতিউর রহমান পানু পরিচালিত এক সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। সবার মুখে মুখে সেই সিনেমা। পত্রিকার পাতায় কলাম লেখা হচ্ছে সিনেমার প্রশংসা করে। লেখক আনিসুল হক পর্যন্ত একদিন প্রথম আলোর প্রথম পাতায় একটা কলাম লিখে ফেললেন। পত্রিকা মারফত বিভিন্ন ধরনের লেখার মাধ্যমে জানা গেল – মনের মাঝে তুমি সিনেমাটি সিনেমাস্কোপে নির্মিত। সেই সময়ে সিনেমা এবং এর নির্মান প্রক্রিয়া সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র ধারণা নেই। কম্পিউটার আর ইটিভির পর্দায় মিউজিক ভিডিও দেখি, সেই ভিডিওতে উৎসাহিত হয়ে কয়েকটা গানের ভিডিও মনের কারখানায় তৈরী করেছি, এবং মনের পর্দায় নিয়মিত সেই মিউজিক ভিডিওর কয়েকটা করে শো দেখি। সিনেমাস্কোপ খায় না মাথায় দেয় সেই বিষয়ে কোন জ্ঞান আহরন না করেই সিদ্ধান্ত নিলাম – ওরে নীল দরিয়া গানটার একটা মিউজিক ভিডিও বানাবো এবং সেটা বানানো হবে সিনেমাস্কোপে।
আজ থেকে আট বছর আগে আমি যে অবস্থায় ছিলাম সে অবস্থায় বর্তমানে যারা আছেন তাদের জন্য এই পোস্ট। সিনেমাস্কোপ বলতে আসলে কি বোঝায়?সিনেমাস্কোপ হলো ১৯৫৩ সালে টুইনটিথ সেঞ্চুরী ফক্স এর প্রেসিডেন্ট কতৃক আবিস্কৃত ওয়াইড স্ক্রিনে চিত্রায়নের জন্য অ্যানামরফিক লেন্স এর ব্যবহার। ১৯৫৩ সাল থেকে শুরু করে ১৯৬৭ সাল পর্যন্ত সিনেমাস্কোপ শব্দটি প্যানভিশনের কপিরাইটেড ছিল। অ্যানামরফিক লেন্স বলতে কি বোঝায় সে ব্যাপারে আমার ধারণা নেই – বিজ্ঞানের ব্যাকগ্রাউন্ড বেশ দুর্বল হওয়ায় এ বিষয়ে ধারণা নেয়াটাও খুব কষ্টকর আমার জন্য। সিনেমাস্কোপে চিত্রায়ন করা হয় সাধারনের থেকে আরও প্রসারিত আকৃতিতে। সাধারণত চিত্রায়নের জন্য ৩৫ মিমি ফিল্ম ব্যবহার করা হয়। এই একই ফিল্মে বিভিন্ন অনুপাতের ছবি চিত্রায়ন করা হয় বিভিন্ন প্রকার লেন্সের সাহায্যে। সিনেমাস্কোপের সাথে তাই ছবির দৈর্ঘ্য প্রস্থ্য বেশ ভালোভাবে সম্পর্কযুক্ত।

সিনেমায় ছবির দৈর্ঘ্যের সাথে প্রস্থ্যের অনুপাতকে আসপেক্ট রেশিও বলা হয়। সাধারণভাবে ৫ ধরনের আসপেক্ট রেশিও দেখা যায়। এগুলো হলো – ৪:৩, ৩:২, ১৬:৯, ১.৮৫:১ এবং ২.৩৫:১। প্রথম দিকে সিনেমাস্কোপে ২.৬৬:১ রেশিও-তেও সিনেমার চিত্রায়ন করা হয়েছে। তবে বর্তমানের স্টান্ডার্ড হলো ২.৩৫:১ অথবা ২.৩৯:১। এই সকল রেশিওর মধ্যে ৪:৩ বা ১.৩৩:১ রেশিও-তে নির্মিত ইমেজ আমাদের বেশ পরিচিত। টেলিভিশনে আমরা যে ইমেজ দেখি তার সবই এই আসপেক্ট রেশিও-তে নির্মিত। এর একটা পোষাকী নাম আছে – অ্যাকাডেমি রেশিও। ভিডিওগ্রাফিতে আরেকটি রেশিও ব্যবহার করা হয় – ১৬:৯। ফিল্মের ক্ষেত্রে সাধারণত ১.৮৫:১ রেশিও বেশী ব্যবহার করা হয়। বাংলাদেশে যে সকল সিনেমা নির্মিত হয় তার সবগুলোই এই রেশিও ব্যবহার করে নির্মিত। হলিউডে নির্মিত সিনেমাগুলো দুটো রেশিও অনুসরন করে। একটা হলো ১.৮৫:১, অন্যটা ২.৩৫:১ বা সিনেমাস্কোপ। বলিউডের জন্যও একই কথা প্রযোজ্য।

স্বাভাবিক চৌকানা দৃশ্য একটা ফিল্মে শ্যুট করলে উপরে নিচে অপ্রয়োজনীয় অনেক কিছু চলে আসে, আবার ওয়াইড করতে গেলে ফিল্মের উপরে নিচে কিছূ অংশ ব্ল্যাকআউট হয়ে যায়। সিনেমাস্কোপে আ্যানামরফিক লেন্স কি করে? এটা দৃশ্য ধারন করে দৃশ্যটাকে ফিল্মের পুরো জায়গায় বসায় কিন্তু চৌকানা করে দৃশ্য ধারন করে নয় বরং ওয়াইড করে ধারন করে স্প্রেড করে দেয়। তাতে দৃশ্যের কোয়ালিটিও বাড়ে। সেটাই প্রযেক্টরে আরেকটা আ্যানমরফিক লেন্স ব্যবহার করে রিভার্স করে পুরো পর্দায় (হলের পর্দা চৌকানা হয় না, ওয়াইড হয়) ছড়িয়ে দেয়। তাতে করে কি হয়? ওয়াইড যে দৃশ্যকে ফিল্মের মধ্যে টেনে ছড়িয়ে জায়গা ভরিয়ে দেয়া হয়েছিল তা আবার ওয়াইড হয়ে উপর নিচের জায়গা ছাড়াই বসে পড়ে তখন কোয়ালিটি আরো্ বাড়ে, দৃশ্য আরও ওয়াইড লাগে। এ্‌ই বিষয়টা সহজে বোঝা যাবে পিসিতে ডেস্কটপ ওয়ালপেপার নিয়ে বসানোর সময়ও টাইল, ফিল স্ট্রেচ এগুলো লক্ষ্য করলে।

একটা চার্ট দেই ফিল্মের কোনটা কোন রেশিও তে তৈরি
Munich 2:35:1
War of the Worlds 1:85:1
The Terminal 1:85:1
Catch Me if you Can 1:85:1
Minority Report 2:35:1
AI 1:85:1
Private Ryan 1:85:1
Amistad 1:85:1
Lost World 1:85:1
Schindler’s List 1:85:1
Jurassic Park 1:85:1
Hook 2:35:1
Always 1:85:1
Indiana Jones and the Last Crusade 2:35:1
Empire of the Sun 1:85:1
The Color Purple 1:85:1
Temple of Doom 2:35:1
E.T. 1:85:1

বাংলাদেশে কেন সিনেমাস্কোপে সিনেমা নির্মিত হচ্ছে না সেটা বোঝার জন্য সিনেমাস্কোপ কিভাবে কাজ করে সেটা বোঝা দরকার। সিনেমাস্কোপে লেন্সের সামনে একটি অ্যানামরফোস্কোপ লেন্স ব্যবহার করা হয়, ফলে সে দৃশ্যের চিত্রায়ন করা হচ্ছে তা কিছুটা সংকুচিত অবস্থায় ফিল্মের উপর অঙ্কিত হয়। আবার সকল প্রসেসিং শেষে এই ছবি যখন প্রদর্শন করা হয় তখন প্রজেক্টরের সামনে আরেকটি অ্যানামরফোস্কোপ লেন্স ব্যবহার করা হয় যা সেই ইমেজকে আবার প্রসারিত করে পর্দায় উপস্থাপন করে।

যেহেতু সিনেমায় ইমেজের আকৃতি স্বাভাবিকের চেয়ে বড়, তাই পর্দার আকৃতিও বড় হতে হয়। সিনেমাস্কোপের পর্দা সামান্য বাকানো হলে অপেক্ষাকৃত  জীবন্ত ছবি পা্ওয়া যায়। সিনেমাস্কোপে আরও একটি উপকরণ বিশেষ প্রয়োজন – সেটা হলো সাউন্ড। অপেক্ষাকৃত চওড়া পর্দা হওয়ায় এর সাউন্ডের জন্য বিশেষ মনযোগ দিতে হয়। চিত্রায়নের সময় অতিরিক্ত দুটো মাইক্রোফোনের ব্যবহার এবং প্রদর্শনের সময় অতিরিক্ত সাউন্ডবক্স দরকার হয়। বাংলাদেশের প্রোডাকশন হাউজ বা এফডিসি-তে সিনেমাস্কোপ ক্যামেরা নেই এবং হলগুলোতে সিনেমাস্কোপ প্রদর্শনের কোন ব্যবস্থা নেই। বাংলাদেশে গত এক দশকে নির্মিত সিনেমার মধ্যে মনের মাঝে তুমি ছাড়াও তৌকির আহমেদের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘জয়যাত্রা’ সিনেমাস্কোপে নির্মিত। জয়যাত্রা নির্মানের জন্য তৌকির আহমেদ ভারত থেকে সিনেমাস্কোপ ক্যামেরা আমদানী করেছিলেন। আবার, মতিউর রহমান পানু তার মনের মাঝে তুমি সিনেমা প্রদর্শনের জন্য প্রতিটি প্রিন্টের সাথে একটি করে সিনেমাস্কোপ লেন্স সরবরাহ করেছিলেন প্রদর্শকদের মাঝে। বর্তমান সময়ে সিনেমা শিল্পে খুবই দুরাবস্থা চলছে। সিনেমা নির্মিত হচ্ছে না, সিনেমার অভাবে সিনেমাহল গুলো বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফলে সিনেমাস্কোপে সিনেমা নির্মান যে কোন পরিচালকের জন্যই অনেক সাহসী একটি সিদ্ধান্ত – ব্যবসার কথা মাথায় রাখলে সিনেমাস্কোপে সিনেমা নির্মান তাই সহজসাধ্য নয়। (সূত্র) মনে রাখা দরকার, সিনেমাস্কোপ কোন ক্যামেরা নয়, ক্যামেরার সামনে একটা লেন্স মাত্র যা পর্দার সামনের দৃশ্যকে কিছুটা সংকুচিত করে ফিল্মে ধারন করে এবং পরবর্তীতে আরেকটা লেন্সের মাধ্যমে প্রসারিত করে পর্দায় উপস্থাপন করা হয়। সম্ভবত আমাদের দেশের ক্যামেরাগুলো অনেক পুরোনো এবং লেন্স ইন্টারচেঞ্জেবল না হওয়ায় ক্যামেরা আমদানী করতে হয়। শুধু ক্যামেরাই নয়, সিনেমাস্কোপের সাথে পর্দার সম্পর্কও গভীর। আমাদের দেশের সিনেমাহলগুলোর পর্দা সিনেমাস্কোপের জন্য যথোপযুক্ত নয়।

সিনেমাস্কোপ নিয়ে একটা হাসির ভিডিও দেখুন

তবে, এই কঠিন কাজটিকে সহজ করেছিলেন বাংলাদেশের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির একজন শ্রেষ্ঠ নির্মাতা জহির রায়হান। ১৯৫৩ সালে যে সিনেমাস্কোপের নির্মান, সেই সিনেমাস্কোপে পাকিস্তানের প্রথম সিনেমা নির্মান করেন জহির রায়হান ১৯৬৫ সালের এপ্রিলে, নাম বাহানা। সাদা-কালোয় নির্মিত এই সিনেমাটি সম্ভবত খুব বেশী ব্যবসাসফল হয়নি। হয়নি একই বছর ডিসেম্বরে নির্মিত প্রথম রঙ্গীন এবং সিনেমাস্কোপ চলচ্চিত্র ‘মালা’। পশ্চিম পাকিস্তানে সিনেমাস্কোপে সিনেমা নির্মানের ছয় বছর আগে ১৯৫৯ সালে ভারতে সিনেমাস্কোপে সিনেমা নির্মান করেছেন গুরু দত্ত, সিনেমার নাম ‘কাগজ কি ফুল’। এই সিনেমাটিও ব্যবসায়িকভাবে সাফল্য লাভ করে নি, কিন্তু ভারতের সিনেমা নিয়ে অধ্যয়ন করতে গেলে এই সিনেমাটিকে জানতে হবে বেশ ভালো ভাবে, কারণ শৈল্পিক দৃষ্টিতে এই সিনেমার গুরুত্ব এবং ভূমিকা অনেক। এই সিনেমাটা গুরু দত্তের সবচে ভালো ফিল্ম হিসেবে গন্য করা হয় এবং সিনেমার ব্যর্থতার জন্যই কিনা জানি না গুরু দত্ত আর কোন সিনেমা নির্মান করেন নি।

সিনেমাস্কোপে নির্মিত সিনেমা ভালো হয়, মন্দও হতে পারে যদি সিনেমাস্কোপ সম্পর্কে ধারণা না থাকে। সিনেমাস্কোপ শব্দটি-ই যে ব্যবসার সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে তার উদাহরণ মুনসুন ফিল্মস এর ব্যানারে নির্মিতব্য সিনেমা ‘মোস্ট ওয়েলকাম’ যার প্রযোজক এবং প্রধান অভিনেতা হলেন খোজ-দ্য সার্চ খ্যাত অনন্ত এবং পরিচালক অনন্য মামুন। সিনেমাটিকে দেশের প্রথম সিনেমাস্কোপ সিনেমা দাবী করার পেছনে তাদের অজ্ঞতা কাজ করছে এমনি বিশ্বাস করতে রাজী নই, ব্যবসাপ্রবণতাই প্রধান উদ্দেশ্য।

কৃতজ্ঞতা: ব্লগার রন্টি চৌধুরী। এই মানুষটি এই পোস্ট লেখার ব্যাপারে এতটাই সহায়তা করেছেন যার অভাবে এটি একটি অসম্পূর্ন পোস্ট থেকে যেতো। সিনেমার ক্যামেরা সম্পর্কে তার জ্ঞান তিনি আমাদের মাঝে ছড়িয়ে দেবেন, এই কামনা।


দারাশিকো

নাজমুল হাসান দারাশিকো।
চলচ্চিত্র বিষয়ক লেখক ও ব্লগার।
কোঅর্ডিনেটর, বাংলা মুভি ডেটাবেজ (বিএমডিবি)
যোগাযোগ – [email protected]

ফেসবুক মন্তব্য

48 Responses

  1. nayan says:

    আপনার লেখা দেখলেই পড়ি, চলচ্চিত্র বিষয়ে আগ্রহ আছে তাই। সিনেমাস্কোপ সম্পর্কে জানালাম, চালিয়ে যান। আপনার আরো লেখা পড়ার প্রত্যাশায় রইলাম।

    • ধন্যবাদ নয়ন। আপনাদের মতো পাঠকরাই আরও লিখতে উৎসাহিত করে। লিখতে চেষ্টা করতেই থাকবো ইনশাল্লাহ। হবে কিনা জানি না।
      ভালো থাকবেন নয়ন 🙂

  2. মাহবুব হাসান says:

    জানা ছিলনা, অনেক কিছু পারলাম।
    পোস্টের জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।
    ভাল থাকুন।

    • দারাশিকো ব্লগে স্বাগতম মাহবুব হাসান 🙂
      ধন্যবাদের আদ্দেক প্রাপ্য রন্টি ভাইয়ের 🙂
      আরও আসতে থাকবেন বস 🙂

  3. মাহবুব হাসান says:

    *জানতে পারলাম হবে।

  4. এই সিনেমাস্কোপ জিনিষটা সম্পর্ক আমিও আগ্রহী ছিলাম।

    আমাদের দেশে এই রকম প্রযুক্তির ব্যবহার অনেক আগে থেকেই শুরু করার দরকার ছিল। কোলকাতার দিকে তাকান, কতটা এগিয়ে গিয়েছে ওরা, ভাবা যায়?

    অঃটঃ থ্রি-ডি আর আইম্যাক্স এর মধ্যে তফাৎ টা কি বলতে পারবেন?

    • দারাশিকো ব্লগে স্বাগতম রুশদি 🙂

      কোলকাতার দিকে তাকলে সত্যিই বোঝা যায় আমরা কতটা পিছিয়ে আছি। দোষটা আমাদের সিনেমা নির্মাতাদের যা তারচে বেশী সরকারের। সিনেমাস্কোপ ক্যামেরা ব্যবহার করতে হলে ভারত থেকে আমদানী ছাড়া আর কোন উপায় নেই। এতে খরচ বেড়ে যায়। সুতরাং বুঝতেই পারছেন।

      আইম্যাক্স শব্দটার সাথে পরিচয় আছে – বিশাল পর্দা হয়, নির্মান প্রযুক্তিতেও পার্থক্য আছে। তবে থ্রি ডি কি সেটা ব্যাখ্যা করতে পারবো না। বিজ্ঞানের এইসব ব্যাপারে আমি নিতান্তই কাচা 🙁

      ভালো থাকুন, আবার আসবেন 🙂

  5. sufe says:

    অনেক তথ্যবহুল পোস্ট । সিনেমাস্কোপ সম্পর্কে কিঞ্চিৎ ধারনা ছিল আগে আজকে এর ইতিহাস এবং আমাদের দেশের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে জানলাম । ধন্যবাদ এমন একটি পোষ্টের জন্য

    • দারাশিকো’র ব্লগে স্বাগতম সুফি 🙂
      ধন্যবাদ আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য। আবার আসবেন 🙂

  6. পড়ে ভালো লাগলো। এই এ্যাসপেক্ট রেশিও আর ক্যামেরাসহ মুভির আরো অনেক বিষয় নিয়েই পড়তে ভালো লাগে। সিনেমাতে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পূর্বের সাথে তুলনামূলক আলোচনা নিয়ে একটি পোস্ট দিলে খুব ভালো লাগবে। তবে পোস্ট চাইলে পর্ব আকারে ভাগ করে দিয়েন, আই মীন, বলউডে বর্তমানে যেসব টেকনোলজি ইউজ হয়, আমাদের এখানে যেগুলো হয়, দক্ষিণ ভারত, কলকাতা, হলউডসহ (যতদূর জানা যায় আর কি) এই যে ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিগুলো এগুলো কি ইউজ হচ্ছে, কেমন হচ্ছে…ইত্যাদি আর কি। এই ধরুন এটা একটা পাঠকের আবদার বলতে পারেন….

    পোস্টটা ভালো লাগলো। ভিডিওটা এখন দেখলাম না, তাই পেজটা বুকমার্কে রাখলাম, পরে এসে দেখবো। ভালো থাকুন..।

    • আবদার পেয়ে বেশ লাগলো তন্ময়দা। 🙂
      বেশ কঠিন কাজ আমার জন্য। আমি এইসব ব্যাপারে নবিশেরও নিচে। এতকিছু কেমনে লিখবো? যারা জানেন, তারা লিখতে চান না 🙁
      ভালো থাকুন তন্ময়দা 🙂

  7. জয় সরকার says:

    জানলাম অনেক কিছু। ধইন্যা।

  8. শোয়াইব সৈনিক says:

    কিছুটা মাথার উপর দিয়ে গেছে। দেখি আর কয়েকবার পড়তে হবে। লেখাটা অন্য যে কোন লেখার চেয়ে ভাল হয়েছে।
    সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ।

    • মাথার উপর দিয়ে যেন না যায় সেজন্যই তো এই লেখা। এখন পর্যন্ত যত লেখা লিখলাম, এইটা তার মধ্যে সবচে বেশী কষ্ট দিছে। ঘুমাইতে কষ্ট হয়, পড়তে গিয়া নিজেই বুঝি না – সে এক বিশাল কাহিনী।
      বুঝতে সমস্যা হৈলে প্রশ্ন, উত্তর দেয়ার চেষ্টা থাকবে।
      শুভকামনা 🙂

  9. ইকরাম উল্যাহ says:

    টেস্ট কমেন্ট ১

  10. nayeem says:

    গভীর হয়েছে বস।চালিয়ে জান।

  11. হ্যা দারুন পোষ্ট হয়েছে।
    আমি ঠিক করেছি ভবিষ্যতে দেশে এসে যদি সিনেমা বানানোর সৌভাগ্য হয় কোনও দিন তাহলে ডিজিটাল হেইচ ক্যাম দিয়ে বানাবো। পরে ৩৫ এ প্রিন্ট করে নিব। ডিজিটাল ক্যাম এর লেন্সের সামনে একটা ওয়াইড লেন্স আর ডিওএফ ফিল্টার লাগিয়ে দেব, ব্যাস। দেশের হলের পর্দা আর গড়পড়তা মুভির ছবির মানের যে অবস্থা তাতে এটাই বেশ ভাল মানের কোয়ালিটি দিবে। সিনেমাস্কোপ এর দরকার হবে না।
    গরীব মানুষ। তাই একটা হেইচডি ক্যাম ও এখনও কিনতে পারলাম না 🙁 আপাতত ৩ সিসিডি স্ট্যান্ডার্ড ডেফিনেশন ক্যাম কিনেছি 🙂

    • কমেন্ট দিয়া তো ফেসে গেছেন রন্টিদা। কি বলছেন এইটা পাঠকে বুঝবে না, সুতরাং ব্যাখ্যা করে বুঝায়া দেন।
      ডিজিটাল হেইচ ক্যাম – এইটা কি জিনিস? দাম কত?
      ডিওএফ ফিল্টার – ফিল্টারটা দিলে কি লাভ হবে?
      ৩ সিসিডি স্ট্যান্ডার্ড ডেফিনেশন – এসডি ক্যাম বলে তাই না? দাম কত রন্টিদা?

      দেশে তাড়াতাড়ি আসেন, নাইলে ক্যামেরা এইটা পুরান হয়া যাবে 🙂

      • হেহ হে। দেশে এসডি ক্যাম অলরেডি পুরান। এখন ফিল্মী লুক আনতে পারা হাইডেফিনেশন ক্যামেরার ব্যবহার শুরু হয়ে গেছে দেশে খুব বেশী দাম না, ৫/৬ হাজার ডলারেরও পাওয়া যায় এন্ট্রি লেভেলের ক্যাম । আর আমার যে ক্যামেরা এটা এমনিতেই রদ্দিমাল। পুরনোই। তবে নাটক, ফাটক বানানো যাবে সহজেই। দেশে ক্যামেরার যে ভাড়া, সেই তুলনায় এটার দাম খুবই কম। তবে এই ক্যাম আর যাই হোক বলে বেড়ানোর মত কিছু না। ডিওএফ ফিল্টার ডেপথ অব ফিল্ড আনার ফিল্টার। নরমাল ক্যামের মুখে লাগিয়ে ডেপথ অব ফিল্ড বাড়ানোর চেষ্টা করা হয়, যেটা ৩৫ মিলিতে এমনেই করা যায়।

  12. পোষ্টে আমার নাম উল্লেখ করায় লজ্জা পাচ্ছি 🙂

  13. SHAJID says:

    পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ . পড়ে ভালো লাগলো . অনেক নতুন কিছু জানতে পারলাম .এখন মুভি বানাতে ইচ্ছা করতেসে . 😀
    এরকম লিখতে থাকেন আর আমাদের জানাতে থাকেন . 😀
    ধন্যবাদ

    • আমার চেষ্টা থাকবে সাজিদ। আপনারা পড়তে থাকুন, কিন্তু বসে থাকবেন না। এগিয়ে আসুন, সিনেমা বানানো শুরু করলেই হয়ে যাবেন 🙂
      শুভকামনা

      • SHAJID says:

        ইনশাআল্লাহ্‌ ………………………………… আপনি শুরু করেন আমরা সাথে আছি ………………… 😀

  14. sumon says:

    boss khub valo hoise but asolei….mathar upor diya jaiyese…oggota hoito ar karon…accha matir moyna ki cinemascope a nirmito……vai ronty vai je koilen dof er kotha ai bisoyta detail a jodi akbar likhten….mane filmi look er bepar ta without using 35mm camera…jemon ajkal onek notun tv natok nirmatra tader natoke jeta kortese…akta cinema cinema vab….print ba color combination dutotei akta cinematic vab…aita kemne kore…onek din dhore janbar iccha…janaile upokrito hobo…apnake dhonnobad

    • উত্তরটা যেন রন্টিদা দেয় সেই ব্যবস্থা করতেসি, একটু অয়েট করেন বস:)

      মাথার উপর দিয়া গেসে সেইটা কি টেকনিক্যাল বিষয়গুলা? খুব সোজাভাবে দেখেন। আমরা চোখে যা দেখি তার অনেকটাই অপ্রয়োজনীয়। এইবার এইটাকে উপরে নিচে হাত দিয়া ঢেকে সীমাবদ্ধ করেন। দেখবেন ভালো লাগবে। কথা হলো সিনেমাস্কোপে মূল ইমেজটাকে কম্প্রেস করে ফিল্মে আনতেছে তারপর আবার প্রজেকশনের সময় বড় করে দেখাচ্ছে। নরমাল সিনেমাস্ক্রিনের তুলনায় সিনেমাস্কোপের স্ক্রিন চ্ওড়া হয়। সুতরাঙ দেখাটা আর্ও আনন্দজকন হয়ে গেল।

    • ওকে। মাটির ময়না সিনেমাস্কোপে নির্মিত কিনা বলতে পারছি না। দেখার সময় খেয়াল করিনি, কোন তথ্যউপাত্তও জানিনা।
      ডিওএফ ফিল্টার হল ডেপথ অফ ফিলড ফিল্টার। ফিক্সড লেন্সের সাধারন ব্রডকাষ্টিং ক্যামেরায় বা এমনকি হাই ডেফিনেশন ক্যামেরায় ডেপথ অফ ফিলড পাওয়া খুব কষ্টের। ফিল্ম লুকের বেশ বড়সড় একটা বিষয় হল গিয়ে ডেপথ অফ ফিল্ড। ধরুন আপনি একটা দৃশ্যে আপনার সাবজেক্টকে ফোকাসড রাখতে চান, পেছনের দৃশ্যগুলোকে নয়। আর সেটাই স্বাভাবিক, কেননা স্ক্রীনের সবকিছু ফোকাসড হলে দর্শকের চোখে কোন কিছুই প্রাধান্য পাবে না। এই যে ফোকাসে রাখা এটা ডেপথ অফ ফিলড। এটা করার জন্যে নরমাল ক্যামেরার লেন্সের সামনে একটা ডিওএফ ফিল্টার লাগিয়ে ডেপথ অফ ফিল্ড আনার চেষ্টা করা হয়। দেশে এটার চর্চা সীমিত আকারে শুরু হয়েছে।
      আর দেশের কোন কোন নাটকে ফিল্ম লুকের কথা বলতে গেলে বুঝতে হবে ফিল্ম লুকটা আসলে কি? যা একটু ফিল্মী, একটু কালারফুল, স্বাভাবিক জীবনের চেয়ে একটু চকমকে তাই তো ফিল্মী। দেশে নাটকে কালার কারেকশন প্রায় করাই হয় না। টেলিফিল্ম নামে যা বানানো হয় তাতে একটু আলাদা লুক আনার জন্যে আগে দেশীয় ডিরেক্টররা কি কারনে জানি না, একটু ব্লুরিশ লুক আনতেন । যাতে দৃশ্য ওভার ফোকাসড হয়ে যেত যেটা অবশ্যই ফিল্ম লুক না। এখন কেউ কেউ হেইচডি ক্যাম ব্যবহার করেন যা দিয়ে ২৪ পি ফ্রেম রেটে শ্যুট করা যায় যা ৩৫ মিলি শ্যুট এর ষ্ট্যান্ডার্ড। এতে করে দৃশ্যটা খানিকটা ফিল্মী হয়। তার সাথে এডিটিং এর সময় কালার কারেকশন করে একটু বেশী ইয়েলো একটু বেশী ব্ল করে নিলেই তো হয়ে গেল ফিল্মী লুক। ফিল্মী লুক আনার জন্য সঠিক লাইটিং টা জরুরী। সেটা অবশ্য দেশে ঠিকভাবে করা হয় বলে আমার জানা নেই। ফিল্মী লুকের জন্যে দেশে টেলিফিল্মে আরও যা করা হয় তা হল জিবআর্ম এবং ট্রলি দৃশ্যের ব্যবহার। এর সম্পর্কে জানতে দারাশিকোর পুরনো একটা পোষ্ট পড়ে দেখতে পারেন। জিবআর্ম ট্রলির মুভিং দৃশ্য প্রান নিয়ে আসে দৃশ্যে। বলিউডের নাচগানের দৃশ্যায়নগুলো দেখুন। প্রায় সবগুলোতেই ক্রেন শটের কারবার। এতেই লুক বদলে যায়। আমি নিজে বলিউডের একটা হাঙ্গামা টাইম নাচগানের শ্যুটিং দেখেছি। ক্রেন দিয়ে সাধারন নাচের দৃশ্য অপারবাস্তব হয়ে গেছে।

      • ধন্যবাদ রন্টিদা, আপনার ভেতরের জিনিস বের করে আনার এ ছাড়া অন্য কোন উপায় দেখতেসি না – এইজন্য মাফ চাই।

        ডেপথ অব ফিল্ড সম্পর্কে ইদানিং নতুন করে পড়তেছি, ফলে বেশ কিছু ব্যাপার জানা যাচ্ছে। ভিডিও ক্যামেরায় যে ডেপথ অব ফিল্ড আনা যায় না সেটা জানা ছিল না, যেহেতু কাজ করি নাই, তাই বুঝিও নাই। এখন দেখতেসি শ্যালো ডেপথ অব ফিল্ড সিনেমায় খুবই কাজের একটা বিষয়, যেটা নাটকে একদমই মানা হয় না। ফলে আউটডোরের দৃশ্যগুলো মাঝে মাঝেই ডিসট্র্যাক্ট করে ফেলে।

        আপনার কথার উপরে কথা নাই, কিন্তু সুমন ভাইয়ের সুবিধার জন্য ডেপথ অব ফিল্ড নিয়া একটু বলতে চেষ্টা করি। ডেপথ অব ফিল্ড বলতে ফ্রেমে যে অংশ ফোকাসের মধ্যে থাকবে সেটাকে বোঝানো হয়। ফোকাসের বাইরের অংশ ঝাপসা দেখাবে – কতটা ঝাপসা সেটা নির্ভর করবে পরিচালক কতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন বা কতটু উপেক্ষা করতে চাচ্ছেন।
        ডেপথ অব ফিল্ড ব্যবহার করা হয় ফ্রেমের যে অংশটায় পরিচালক গুরুত্ব দিতে চাচ্ছেন সেটা দর্শককে বুঝিয়ে দেয়ার জন্য। নির্দিষ্ট অংশ ছাড়া যেন অন্য অংশে দর্শক চোখ না দেন অথবা গুরুত্ব না দেন সেটা বোঝানোর জন্য ডেপথ অব ফিল্ডটা গুরুত্বপূর্ন।
        দুই ধরনের ডেপথ অব ফিল্ড আছে – ডিপ ডেপথ অব ফিল্ড এবং শ্যালো ডেপথ অব ফিল্ড। ডিপটা বুঝতে পারা সহজ – এখানে ফোকাসড এরিয়াটা একটু বিস্তৃত হয়। শ্যালো ডেপথ অব ফিল্ড এ এই ফোকাসড এরিয়া খুবই সীমিত। একটা সার্চ দিলেই দুই ধরনের ডেপথ অব ফিল্ডের উদাহরন দেখতে পারবেন।
        যেহেতু ভিডিও ক্যামেরায় এই ডেপথ অব ফিল্ড আনা কষ্টকর, ব্যয়সাপেক্ষ – নতুনরা শর্ট ফিল্ম বানানোর জন্য এজন্য ডিএসএলআর ক্যামেরা ব্যবহার করছেন। এখানে শ্যালো ডেপথ অব ফিল্ড আনা সম্ভব। আমি শিওর না, তবে মনে হয় ডিএসএলআর ক্যামেরায় প্যান শট নেয়া একটু ঝামেলার। রন্টিদা কি কিছু বলতে পারবেন এ ব্যাপারে?

        • হ। খুলে বলায় ভাল হল। ডিপ ডেপথে সবি ফোকাসড প্রায়। শ্যালোতে হাইলাইটেড। ডিএসএলআরও ভালই ডেপথ আনা যায়। এমনকি ভিডিওক্যাম এ ও কোন কনভার্টার ছাড়াও বিনাব্যায়ে একটু আর্টিস্টিক মাইন্ড খাটিয়ে শ্যালো ডেপথ অফ ফিলড আনা যায়।
          ডিএসএলআর দিয়ে প্যান শট ঝামেলা কিনা প্র্যাকটিকালী আমি জানি না। ডিএসএলআর দিয়ে ভিডিও করার আমার কোন এক্সপিরিয়েন্স নাই 🙁 । সাটার স্পীড বাড়িয়ে কমিয়ে ইচ্ছেমত তুলতে পারা যাবার কথা তো।

          এই মুহুর্তে একটু দৌড়ের উপরে আছি। পরে এসে একবার ডেপথ অফ ফিল্ড আনার উপায় টোপায় নিয়ে একটা লম্বা কমেন্ট ঝাড়ব নে। অথবা দারাশিকোর ব্লগে একটা পোষ্ট দিয়ে ফেলব নে।

  15. সিনেমাস্কোপ নিয়ে অনেক কৌতুহল ছিলো- মজার সাথে জানলাম এটা ক্যামেরা না লেন্সের ব্যাপার।

    টিভি-তে ব্যবধান নামে একটা মুভি দেখেছিলাম। পাকিস্থান ও নেপাল-র সাথে মিলে করা। লেখা ছিলো সিনেমাস্কোপ। টিভির উপর নীচে ব্লাক ছিলো, মনে হচ্ছে পর্দা লম্বা হয়ে গেছে, আবার নতুন’র মতো নায়িকাকে ( বাকি সবাইকে সহ ) কেমন যেন কাঠির মতো চিকনা দেখাচ্ছিল। আমার মনে হলো ভিডিও-তে ট্রাসফারে কোন গন্ডগোল ছিলো।যদিও টিভি-তে ‘মনের মাঝে তুমি’ দেখেছিলাম, তখন এই রকম কিছু চোখে পড়ে নাই।

    আচ্ছা, অনেকসময় কি এই লেন্স করার কারণে দিগন্তকে মোটামুটি অর্ধবৃত্তাকার মনে হয়?
    রেশিও’র হিসাবটা কি দৈঘ্য-প্রস্থের বিষয়?

    আর…Anamorphic format is a term that can be used either for: the cinematography technique of capturing a widescreen picture on standard 35 mm film, or other visual recording media, with a non-widescreen native aspect ratio; or a photographic projection format in which the original image requires an optical anamorphic lens to recreate the original aspect ratio. It should not be confused with anamorphic widescreen, which is a very different electronically based video encoding concept that uses similar principles to the anamorphic format but different means. The word “anamorphic” and its derivatives stem from the Greek words meaning formed again, due to reshaping the image onto the film or recording media.

    রন্টি চৌধুরী’কে ধন্যবাদ।

    • < <<অনেকসময় কি এই লেন্স করার কারণে দিগন্তকে মোটামুটি অর্ধবৃত্তাকার মনে হয়?>>> লেন্সের কারণেই এটা হয়। সিনেমাস্কোপের সাথে এর কোন সম্পর্ক নেই। সাধারণত এক্সট্রিম ওয়াইড লেন্স ব্যবহার করলে প্রান্তগুলো এমন গোলাকার হয়ে যায়। ফিশ আই লেন্স বলে এক রকম লেন্স আছে, সেটা ব্যবহার করলে প্রান্তগুলো বেকে যায়। দরজায় আইহোলে যে গ্লাসটা লাগানো হয়, ফিস আই লেন্স অনেকটা সেরকমই 🙂
      রেশিও টা দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ। ছবিটা খেয়াল করুন – তাহলেই হবে।

  16. Omar Sharif Sumon says:

    ভাইয়া, আপনার লেখা যত পড়ি ততই প ড়তে ইচ্ছা করে, প্রবাসে থেকেও আমি প্রতিদিন আপনার পেজ টি একবার হলেও দেখার চেস্তা করি,নতুন লেখা পাবার আসাএ । অনেক অনেক শুভকামনা ও দোয়া রইল আপনার জন্য ।

    • দারাশিকো’র ব্লগে স্বাগতম ওমর শরিফ সুমন 🙂

      আপনাদের এই শুভকামনা এবং দোয়াই প্রতিনিয়ত লিখতে উতসাহ দিচ্ছে। দোয়া করবেন যেন বন্ধ হয়ে না যায় …
      ভাল থাকুন 🙂

  17. mizanul nasim says:

    @ দারাশিকো ভাইয়ের উদ্দেশে কইতেছি… ডি এস এল আর দিয়ে প্যান শট নেয়া দুষ্কর তার রোলিং সাটার/ জেলো ইফেক্টের কারনে। এইটা হইলো গিয়া, ভিডিও দেইখা মনে হবে ২ টাকা দামের জেলির মতো লুতু পুতু কইরা নাচতাসে। ধীরে ধীরে প্যান কইরা এই সমস্যা কন্ট্রোলে আনা সম্ভব।
    যে যাই কউক, ডি এস এল আর দিয়া একটু মাথা খাটাইয়া সিনেমাটিক লুক তো লুক, সিনেমাই বানান সম্ভব। ডি এস এল আর দিয়া বানানো একটা সিনেমার নাম কই,
    127 hours

    • দারাশিকো’র ব্লগে স্বাগতম স্যার।
      আপনার মন্তব্যের জন্য লাখো শুকরিয়া। ১২৭ আওয়ার্সের এই ইনফোটা জানা ছিল না … আর কি কি জানা আছে আপনার ডিএসএলআর ক্যামেরা নিয়ে? আমাদের জানাবার জন্য একটা পোস্ট দিয়েই ফেলুন না .. 🙂
      ভালো থাকুন, আসবেন আবারও 🙂

  18. মাসুম says:

    সরকার যদি কেবল ৬টি বিভাগীয় শহরে ৬টি “মাল্টিপ্লেক্স” করে, আমি বিশ্বাস করি দেশের চলচিত্রে বিপ্লব ঘতবে। প্রদর্শন বাবস্তা যত ভাল এবং নিরাপদ হবে সাধারন মানুস ততই হল মুখী হবে।

    অসাধারন একটা ব্লগ!!

    ধন্যবাদ,
    মাসুম

    • ধন্যবাদ মাসুম। সরকার ইতিমধ্যেই পদক্ষেপ নিয়েছে, আশা করছি খুব শীঘ্রই এই বিপ্লব ঘটবে। কিংবা আমরা সত্যিই হয়তো একটি বিপ্লবের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি 🙂

      ভালো থাকুন। আবার আসবেন 🙂

  19. Mir Shamsul Alam Baboo says:

    Thanks.
    I am a Photographer & Cinematographer. I work in Film from 1989. Just today i read few writing of you. Its very nice that you have write about the subject of Film. Your writing about Cinemascope is Nice.
    Sorry i can not type in Bangla,

    Thanks again.

    Baboo

  1. February 9, 2017

    […] এই রেশিওতে বেশি নির্মান করা হয়। আমরা সিনেমাস্কোপ বলতে যা শুনি তা মূলত এই আসপেক্ট রেশিও-রই একটি রূপ। […]

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Shares