শুক্রবার, ২৪ জানুয়ারী, ২০২০

কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল

পশ্চিমবঙ্গের খ্যাতিমান সাহিত্যিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় কিছু রহস্য ও থ্রিলার গল্পও লিখেছেন। বিশেষ করে তার লালবাজারের সরকারী গোয়েন্দা শবর দাশগুপ্ত ইদানিং বেশ পরিচিতি পেয়েছেন। শবরের গোয়েন্দাগিরির উপর নির্ভর করে তিনটি সিনেমার মুক্তি এই পরিচিতির প্রধান কারণ। গোয়েন্দা শবর দাশগুপ্তের সাথে যারা বহু আগে থেকেই পরিচিত তারা আরও কিছু রহস্য-থ্রিলার গল্পের নামও জানেন। বিকেলের মৃত্যু, কালো বেড়াল সাদা বেড়াল ইত্যাদি। শীর্ষেন্দুর যাবতীয় রহস্য-থ্রিলার গল্পের মধ্যে কালো বেড়াল, সাদা বেড়াল আমার সবচেয়ে পছন্দের।

শনিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২০

বিরক্তিকর 'আসছে আবার শবর'

লালবাজারের গোয়েন্দা শবর দাশগুপ্ত তৃতীয়বারের মতো বড় পর্দায় হাজির হয়েছেন, এ কারণে এবারে ছবির নাম 'আসছে আবার শবর'। যথারীতি শ্বাশত চট্টোপাধ্যায় আছেন শবরের রূপে, পরিচালনায় আরিন্দম শীল। 

শবর পুলিশের গোয়েন্দা, প্রাইভেট ডিটেকটিভ নন। শবরকে যে কেসগুলোর সমাধান করতে হয় সেগুলো আবার বড়দের, ফলে প্রাপ্তবয়স্ক বিষয়াদি ঘুরে ফিরে আসে, তবে সেটা যদি মাত্রাতিরিক্ত হয় তাহলে কিন্তু বিরক্তির উদ্রেক হবেই। তৃতীয়বার হাজির হয়ে গোয়েন্দা শবর যতটা তৃপ্ত করেছে, 'আসছে আবার শবর' দিয়ে অরিন্দম শীল ততটাই বিরক্ত করেছেন।

শুক্রবার, ১০ জানুয়ারী, ২০২০

চিড়িয়াখানায় যা দেখা গেল

ঘোড়ার খাঁচার সামনে দাঁড়িয়ে রোদ পোহাচ্ছি। ঘোড়াগুলো হাতের নাগালেই ঘুরছে। কেউ কেউ হাত বাড়িয়ে ছুঁয়েও দিচ্ছেন। একটা লোক খাঁচার পেছন দিক থেকে দেয়াল টপকে খাঁচায় ঢুকলো, হাতে একটা বস্তা। চিড়িয়াখানার কর্মচারী, হয়তো খাবার দিবে বা অন্য কিছু - ধারণা করলাম। কিন্তু লোকটা বস্তা হাতে নিয়ে খাঁচার ভেতর দিয়ে দৌড়ে সামনের দিকে চলে এলো। তারপর দেয়ালে চড়ে বসল এবং হাতের বস্তাটি টেনে তুলল। এ পাশে নেমে যখন ভীড়ের মধ্যে মিশে যাচ্ছিল তখন দেখলাম -তার বস্তা থেকে কাপড়ের তৈরী কতগুলো পুতুল উঁকি দিচ্ছে। বুঝলাম - লোকটি চিড়িয়াখানার ভেতরের অন্যান্য পুতুল বিক্রেতাদের মতই একজন।

সোমবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২০

শীতের পাখির সাথে কুমিল্লায়

গোড়ালি সমান পানিতে দাঁড়িয়ে তিনি অত্যন্ত যত্নের সাথে অযু করছিলেন। মাথা মাসেহ শেষ করে তিনি পা ধুলেন। তারপর কালেমায়ে শাহাদাত পড়ার জন্য ডানহাতের তর্জনী তুলে আকাশের দিকে তাকিয়ে বললেন, 'সুবহানাল্লাহ!' 

আমি উনার  ঠিক পেছনে দাঁড়িয়ে জামার হাতা গুটিয়ে নিচ্ছিলাম। কালেমায়ে শাহাদাতের  পরিবর্তে 'সুবহানাল্লাহ' শুনে আকাশের দিকে তাকালাম। শত শত বালিহাঁস আকাশে  উড়ে বেড়াচ্ছে আর ডাকছে। তারা চক্রাকারে উড়ছে। কিছু হাঁস পুকুরের  উত্তর-পূর্ব দিকের বাঁশঝাড়ে গিয়ে বসছে। আবার সেখান থেকে কিছু হাঁস উড়ে গিয়ে ঝাঁকের সাথে যোগ দিচ্ছে৷ সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য!