বৃহস্পতিবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০১৯

লার্নিং হাউ টু লার্ন

পেশাদারী ছাত্রজীবন শেষ করেছি অর্ধযুগের বেশি হয়ে গেল। তবে, শিক্ষাজীবনের সমাপ্তি এখনও হয়নি। তাই আমার বিজ্ঞ পরামর্শদাতা, অত্যন্ত সজ্জন ব্যক্তি ও বাল্যবন্ধু নেজাম উদ্দিন যখন বলল, সে অনলাইনে লার্নিং হাউ টু লার্ন শিরোনামে একটি কোর্সে এনরোল করেছে এবং এই কোর্স 'হাইলি রেকমেন্ডেড ফর টিচার্স এন্ড স্টুডেন্টস', তখন 'বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর, সবার আমি ছাত্র' হিসেবে 'হাউ টু লার্ন' লার্ন করা আমার অবশ্য কর্তব্য বলে বিবেচনা করলাম।

শনিবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০১৯

ভ্রমণ বিষয়ক সকল পোস্ট

আমি নিতান্তই দরিদ্র মানুষ। সবাই ভারত-নেপাল-ভুটান-মালয়েশিয়া-ইংল্যান্ড-আমেরিকা ঘুরতে যায়, আমার সেই সামর্থ্য নাই। কিন্তু ঘুরে বেড়ানোর আগ্রহটা মোটেও কম ছিল না কখনো। অর্থ-সময়-সঙ্গ সংকটে শান্তিমত ঘুরে বেড়াতে শুরু করতে করতেই আমার বয়স বাইশ পার হয়ে গিয়েছিল। বিদেশ ভ্রমণের সামর্থ্য নাই, কিন্তু দেশ ভ্রমণ তো সম্ভব! সমগ্র বাংলাদেশের সবগুলো জেলায় ভ্রমণের পরিকল্পনার বাস্তবায়ন শেষ পর্যায়ে। ভ্রমণের সেই অভিজ্ঞতাগুলো লিখে রাখতে চাই – হয়তো একদিন সমগ্র বাংলাদেশ ভ্রমণ নিয়ে একটা বই লিখা হয়ে যাবে, নিদেনপক্ষে একটা ই-বুক, মন্দ কি! এই পোস্টে ভ্রমণ বিষয়ক সকল পোস্টের লিংক রাখলাম।

মঙ্গলবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০১৯

লিসবেথ স্যালান্ডার এর জনক স্টিগ লারসন

স্টিগ লারসন মাত্র পঞ্চাশ বছর বয়সে মারা যান। সিঁড়ি বেয়ে উঠছিলেন, হঠাৎ হার্ট এ্যাটাক। শরীরের প্রতি প্রচুর অনিয়ম করেছিলেন তিনি। প্রচুর কফি খেতেন, অত্যাধিক মাত্রায় ধূমপান করতেন। খাওয়া দাওয়ার জন্য প্রসেসড ফুডসের উপর নির্ভরশীল ছিলেন। ফলে তার মৃত্যু অস্বাভাবিক ছিল না। ২০০৪ সালে তার আকস্মিক মৃত্যুর এই ঘটনা ঘটে।

তিনি মারা যান সাংবাদিক পরিচয়ে। তার ক্রাইম থ্রিলার লেখক সত্তার জন্ম সাংবাদিক জীবনকালীন সময়ে হলেও মানুষের সামনে উপস্থিত হয় তার মৃত্যুর এক বছর পরে, ২০০৫ সালে। মারা যাওয়ার অল্প কিছুদিন পরেই তার লেখা তিন তিনটি উপন্যাসের পাণ্ডুলিপি উদ্ধার করা হয়। সবগুলো উপন্যাসের চরিত্রই লিসবেথ স্যালান্ডার। অর্থ্যাৎ তিনি লিসবেথকে নিয়ে একটি সিরিজ উপন্যাস লিখা শুরু করেছিলেন। ধারনা করা হয়, তিনি নিজের আনন্দের জন্যই এই সিরিজ লেখা শুরু করেছিলেন এবং এ কারণে প্রকাশের কোন প্রকার উদ্যোগই তিনি নেননি।

বৃহস্পতিবার, ৩ জানুয়ারী, ২০১৯

কুরআন স্কলার বলিউড অভিনেতা কাদের খান

ছবির এই ভদ্রলোককে আপনারা এক দেখাতেই চিনবেন জানি। তিনি বলিউডের অভিনেতা কাদের খান, গতকাল কানাডার একটি হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেছেন।

যে খবরটি আমাকে নাড়া দিয়েছে তা তার মৃত্যুসংবাদ নয়। তিনি ছিলেন একজন কুরআন স্কলার। কাদের খানের বাবার নাম মাওলানা আবদুল রহমান খান। ভারত-পাকিস্তান ভাগের আগে তিনি আফগানিস্তানের কাবুলের বাসিন্দা ছিলেন। দেশভাগের পরে ১৯৫০ এর শুরুর দিকে তিনি হল্যান্ড এ পাড়ি জমান এবং সেখানে আরবী ও ইসলামী ইনস্টিটিউট স্থাপন করেন।