রবিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

ডুব নিষিদ্ধ/স্থগিত বিতর্কঃ প্রকৃত ঘটনা কি?

ডুব - নো বেড অব রোজেস সিনেমায় লেখক জাভেদ হাসান ডুব - নো বেড অব রোজেস সিনেমায় লেখক জাভেদ হাসান চরিত্রে ইরফান খান

মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর মুক্তিপ্রতিক্ষিত সিনেমা ডুব - নো বেড অব রোজেস নিয়ে বিতর্কের শুরু হয়েছিল কলকাতার আনন্দবাজারে সংবাদ প্রকাশের পর। হুমায়ূন আহমেদের জীবনী অবলম্বনে ডুব নির্মিত হয়েছে এমন সংবাদের প্রেক্ষিতে প্রথমে গুঞ্জন এবং হুমায়ূন-পত্নী মেহের আফরোজ শাওনের তীব্র প্রতিবাদ ইত্যাদি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা তুঙ্গে উঠেছিল সেসময়। মাঝে কিছুদিন ঠান্ডা থাকার পর গতকাল থেকে আবারও চাঙ্গা হয়ে উঠেছে এই ইস্যু। ডুব মুক্তির ব্যাপারে যৌথ-প্রযোজনার প্রিভিউ কমিটি অনাপত্তি পত্র ইস্যুর একদিন পরেই তথ্য মন্ত্রনালয়ের আদেশে অনাপত্তিপত্র বাতিল করেছে  - এই নিয়ে বেজায় শোরগোল চলছে। কিন্তু এ সকল ঘটনাপ্রবাহের মধ্যে কিছু ঘাপলাও রয়েছে।

শুক্রবার, ১০ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

দ্য হেইটফুল এইট: ৭০ মিমি এবং অন্যান্য



কিল বিল-খ্যাত কুয়েন্টিন টারান্টিনোর অষ্টম চলচ্চিত্র দ্য হেইটফুল এইট মুক্তি পেয়েছিল ২০১৫ সালের ২৫ ডিসেম্বর তারিখে। কুয়েন্টিন টারান্টিনোর ছবি - আলোচনায় থাকার জন্য এই একটি কারণই যথেষ্ঠ ছিল। কিন্তু সেই আলোচনাকে তুঙ্গে তুলে দিয়েছিল যে বিষয়টি তা হল - সিনেমাটি নির্মিত হয়েছে ৭০ মিলিমিটার (৭০ মিমি) ফিল্ম ফরম্যাটে। মুক্তির এক বছর পরে এসে ডিজিটাল ফরম্যাটে সেই ছবি দেখার পর ৭০ মিমি-র মাজেজা বোঝার কোন উপায়ই নেই বলা যায়। যেহেতু, ১৬ মিমি, ৩৫ মিমি কিংবা আসপেক্ট রেশিও সম্পর্কে যৎসামান্য জ্ঞান ছিল, তাই ৭০ মিমি-র মহাত্ম্য বোঝার জন্য কিছু পড়াশোনা করতে হল। দারাশিকো'র ব্লগের পাঠকদের সাথে সদ্য আহরিত জ্ঞান ভাগ করার চেষ্টা করা যায়।

শুক্রবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭

সর্বাধিক সিনেমার পরিচালক!

 

উইকিপিডিয়ায় বাংলাদেশি এক পরিচালকের পাতা দেখছিলাম। ভদ্রলোক অনেকগুলো ছবি বানিয়েছেন। মানসম্মত এবং মানহীন দু ক্যাটাগরীতেই।এক ক্যাটাগরীতে কম, অন্যটায় বেশি। দেখতে দেখতেই মাথায় ভাবনার উদয় হল - বাংলাদেশে সর্বাধিক সিনেমার পরিচালক কে? কাজী হায়াত? নাকি মনতাজুর রহমান আকবর? বলিউডে কে? সম্পূর্ণ ভারতে? গোটা বিশ্বে? আগ্রহের পরিতৃপ্তি সম্ভব গুগলের সাহায্যে। দেখা যাক, গুগল কি বলছে।