শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর, ২০১৬

নতুন ব্যোমকেশ বক্সী

poster-of-byomkesh-bakshi-with-jishu-sengupt-by-anjan-dutt-film-reviewব্যোমকেশ বক্সী একজনই। শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায় যাকে তৈরী করেছেন তিনি। তাই নতুন ব্যোমকেশ বক্সী সম্ভব নয়। যা সম্ভব তা হল ব্যোমকেশ বক্সীর চেহারা পাল্টে দেয়া। নতুন ব্যোমকেশ বক্সী শিরোনামের কারণও তাই। অঞ্জন দত্তের পরিচালনায় ব্যোমকেশ বক্সী চরিত্রের অভিনেতা পাল্টেছেন, এসেছেন নতুন ব্যোমকেশ বক্সী, যীশু সেনগুপ্ত। সিনেমার নাম সিরিজের প্রথম সিনেমার নামেই - ব্যোমকেশ বক্সী!

শুক্রবার, ১৮ নভেম্বর, ২০১৬

এবার শবর : বড়পর্দার নতুন গোয়েন্দা

পশ্চিম বাংলার সাহিত্যের বেশ কিছু গোয়েন্দা চরিত্র রূপালী পর্দায় আবির্ভূত হয়েছেন। ফেলুদা সম্ভবত পায়োনিয়ার। সাম্প্রতিক সময়ে ব্যোমকেশ বক্সী এসেছেন। ফেলুদা বলতে গেলে তার স্রষ্টা সত্যজিৎ রায় এবং তার ছেলে সন্দ্বীপ রায়ের মধ্যেই আবর্তিত ছিলেন, ব্যোমকেশ বক্সী সে তুলনায় কয়েকজন পরিচালকের হাতে বিভিন্নরূপে উপস্থাপিত হয়েছেন। এছাড়া এসেছেন নীহাররঞ্জন গুপ্তের গোয়েন্দা কিরিটি রায়। সুনীল গাঙ্গুলির কাকাবাবুও রূপালী পর্দায় এসেছেন। বাজারে এ কয়জন গোয়েন্দা থাকার পরও যদি শবর দাশগুপ্ত নামের আরেকজন গোয়েন্দা উপস্থিত হয়, তাহলে 'এবার শবর' সিনেমার নাম হিসেবে যথার্থ। 

শুক্রবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৬

গোয়েন্দা শবর দাশগুপ্ত

লালবাজারের গোয়েন্দা শবর দাশগুপ্ত, তার সাথে আমার পরিচয় অনেকটা হুট করে, অন্যান্য গোয়েন্দাদের সাথে পরিচয়ের মত নয়। এ দেশীয় তিন গোয়েন্দা, মিসির আলী, কুয়াশা কিংবা মাসুদ রানা অথবা ওই দেশের ফেলুদা কিংবা ব্যোমকেশ বা দূর দেশের শার্লক হোমস, জেমস বন্ড ইত্যাদি - এদের কারও সাথেই হুট করে পরিচয় নয়। তাদের নাম শুনেছি, তাদের সম্পর্কে অল্প বিস্তর জেনেছি, তাদের প্রতি আগ্রহ তৈরী হয়েছে এবং তারপর তাদের সাথে পরিচিত হয়েছি - সকলের সাথেই একই ফরম্যাটে সাক্ষাত। কেবল পশ্চিমবঙ্গের লালবাজারের গোয়েন্দা শবর দাশগুপ্তের সাথে আগে সাক্ষাত, তারপর পরিচয় এবং তারও পরে গিয়ে তার খ্যাতি সম্পর্কে জানতে পেরেছি। একটু ভেঙ্গে বললে, শবর দাশগুপ্তের স্রষ্টা শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় যে কোন গোয়েন্দা চরিত্র সৃষ্টি করেছেন কিংবা শবর নামে যে কোন গোয়েন্দা আছে তা না জেনেই বই পড়তে গিয়ে শবরের সাথে সাক্ষাত এবং সাধারণ আর সব চরিত্রের মত একজন ভেবেই বিদায়। পরবর্তীতে আবার শবরের সাথে সাক্ষাতের মাধ্যমেই জানতে পারলাম - ইনি নিয়মিত গোয়েন্দা, হুটহাট করে তদন্তে নামেন নি। 

শনিবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৬

আহলে হাদীস ও মাজহাব বিতর্ক

গুলশান তেজগাঁও লিংক রোডে একটা মসজিদ আছে, নিকেতন চার নাম্বার গেট থেকে বের হলে ডিএইচএল অফিসের বিপরীতে, নাম সম্ভবত বায়তুল ফালাহ। সেই মসজিদের ঘটনা, গেল রমজানের আগে। মাগরিব বা ইশার নামাজ চলাকালীন ইমাম সাহেব সূরা ফাতেহা পড়া শেষ করেছেন আর একজন মুসল্লি উচ্চস্বরে আমিন বললেন। নামাজ শেষে সেই মুসল্লিকে ধরা হল। নামাজের মধ্যে উচ্চস্বরে আমিন কেন বললেন এই বিষয়ে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে কেউ দুম করে ঘুষি দিয়ে মুসল্লির নাক ফাটিয়ে দিলেন, সাথে আরও কিছু কিল ঘুষিও যোগ হল। নিয়মিত মুসল্লিদের দয়ার শরীর, জানে না মেরে সেই মুসল্লিকে ছেড়ে দিয়েছিলেন, সম্ভবত বাকি জীবন ধরে যেন সেই শিক্ষা অন্যদেরকে জানাতে পারে এবং জান নিয়ে ফেরার সুযোগ পাওয়ায় আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাতে পারে - এই সুযোগ দেয়ার জন্য। আমি এই ঘটনা নিজে দেখিনি, ওই মসজিদের নিয়মিত এক মুসল্লির কাছ থেকে শুনেছি। তিনি আরও জানিয়েছিলেন, পরবর্তীতে নাকি ওই মসজিদে এই 'আহলে হাদীস' তরিকার নিয়ম অনুসরণ না করার ব্যাপারে নির্দেশনা দিয়ে নোটিশ টাঙ্গানো হয়েছিল।

বুধবার, ২ নভেম্বর, ২০১৬

অন্ধ বালকের গান

শ্রীপুর যাবো। নতুনবাজার ব্রিজ পার হলেই গ্রাম বাংলা টেম্পু সার্ভিস পাওয়া যাবে, তায় চড়ে যেতে হবে শ্রীপুর।


ব্রিজ বলতে যা বোঝায় নতুনবাজার ঠিক সেরকম নয়। লোহার তৈরি পায়ে চলার রাস্তা, নিচে নবগঙ্গা নদীর খাল। এই ব্রিজ দিয়ে প্রচুর মানুষের যাতায়াত। ব্রিজের গোড়ায় পৌছাতেই কানে বাজল তীক্ষ্ণ কন্ঠে গাওয়া গান।