মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর, ২০১৫

ফেলুদার সাথে আফ্রিকায়

আমি তোপসে নই, দারাশিকো। সত্যজিৎ এর চরিত্র নই, জলজ্যান্ত মানুষ। তবুও আমি তাপস রঞ্জন, কারন আমিই তোপসের শরীরে ফেলুদার সাথে বেড়িয়ে রহস্য, রোমাঞ্চের স্বাদ নেই। কিন্তু ফেলুদা কে? আমাদের আগের যুগের মানুষদের ফেলুদা হলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। সেই যুগে যারা সিনেমা দেখেননি তাদের ফেলুদাই সেরা, কারণ তারা বই পড়েছেন এবং নিজের কল্পনায় ফেলুদাকে এঁকেছেন। আর আমরা যারা এ যুগের, তাদের ফেলুদা হলেন সব্যসাচী চক্রবর্তী।  বই পড়লেও সব্যসাচী কারণ আমাদের চিন্তা ভাবনাকে সব্যসাচী চক্রবর্তীর মাঝে আটকে দিয়েছেন সত্যজিৎ রায়ের গুণবান সন্তান সন্দীপ রায়। এই ফেলুদা ওরফে সব্যসাচী যে একজন ভ্রমণপিয়াসী ও ফটোগ্রাফার, সেটা জানার সুযোগ হয় মাহদীর কাছ থেকে, একইসাথে তার লেখা ভ্রমণ বইটিও পড়ার সৌভাগ্য হল।

বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০১৫

কৈশোরে ফেরা

Western Books of Erfan Jesap


দুম করে অনেক বছর আগে ফিরে গেলাম। এত সহজে ফিরে যেতে পারবো ধারণা ছিল না, তাই বেশ উত্তেজিত। উত্তেজনার বহি:প্রকাশ এই ব্লগ।


বছর বারো পনেরো আগে বই পড়তাম হাভাতের মত। তখন কম্পিউটার ছিল না, স্মার্টফোন ছিল না। এমনকি বাসায় ইচ্ছেমত সিনেমা দেখারও কোন মাধ্যম ছিল না। বাহিরে খেলাধূলার জন্য নির্দিষ্ট সময় ছিল। ইন্ডোর গেমস তেমন একটা জমতো না। ফলে বইয়ের সাথে সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। কোন একটা বই পড়া শুরু হলে অন্য দিকে মনযোগ দেয়ার সুযোগ পাওয়া যেত না, ইচ্ছেও করতো না। সারি ধরে বইয়েরা অপেক্ষা করতো - একটি পড়া শেষ হলেই আরেকটির শুরু। এখন আর সেই সুযোগ হয় না। কম্পিউটার সারাদিন দখল করে রাখে, বই পড়া হয় মোবাইলে, তাও রাস্তায়। এক বই পড়তে সময় লেগে যায় মাসখানেক বা তারও বেশি। পড়তে হবে এমন বইয়ের তালিকা বড় হতেই থাকে। কিন্তু বহু বছর বাদে সেই পুরানো ঘটনাই ঘটল এই কদিন।

শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০১৫

এরফান জেসাপ বিষয়ক

ওয়েস্টার্ণ প্রেমীদের প্রিয় চরিত্র এরফান জেসাপ কাজী মাহবুব হোসেনের সৃষ্টি - অবশেষে সিদ্ধান্তে পৌছানো গেল। এই নামে কোন বিদেশী লেখক বা চলচ্চিত্র নির্মাতা কোন চরিত্র তৈরী করেন নি। তবে বরাবরের মত এরফান জেসাপের গল্পও কোন না কোন লেখকের গল্প থেকে নেয়া।