মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৪

রাজকন্যাদের বিবাহঃ একাল-সেকাল

রাজকন্যাদের বিবাহ

একটা সময় ছিল।

তখন দেশে রাজকন্যা থাকতো একটা দুটো করে। তাদের যখন বিয়ে হতো তখন সারা রাজ্যে হৈ চৈ পড়ে যেত। মাসব্যাপী উৎসব লেগে যেত, বিশাল উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে মহাসমারোহে বিয়ের আয়োজন করা হত। রাজ্যের সকল প্রজা উৎসুক হয়ে থাকতো সেই দিনটির জন্য যেদিন রাজকন্যার বিয়ে হবে, রাজপুত্র আসবে ভিনদেশী কোন এক রাজ্য থেকে, ধবধবে সাদা ঘোড়ায় চড়ে। মহা ধুমধামের মধ্যে সেই বিয়ে হতো, সাতদিন আর সাতরাত ধরে চলতো উৎসব, আর তাতে যোগ দিতে পুরো রাজ্যের সকল প্রজা। বিয়ে হলে গেলে রাজকন্যা আর রাজপুত্র মিলে সুখে শান্তিতে বসবাস করতে থাকতো।

বুধবার, ১৫ অক্টোবর, ২০১৪

বিনাপরাধে হঠাৎ জেল!

হঠাৎ জেলহাসিখুশি ছেলেটাকে হঠাৎ একদিন ধরে জেলে পুরে দেয়া হল।

ছেলেটা বোকাও। কারণ প্রথমে সে বুঝতেও পারে নি যে তাকে জেলে পুরে দেয়া হয়েছে। বুঝে উঠে যখন বার কয়েক সে জিজ্ঞেস করে জানার চেষ্টা করলো কি অপরাধে তাকে জেলে পুরে দেয়া হয়েছে তখন তার সাজা শুরু হয়ে গেছে। সাজা নয়, বন্দীত্বও নয়, বরং তার অপরাধটা যে কি সেটা জানার জন্য ছেলেটা চিন্তার সাগরে ডুব দিল। অতল সে সাগর, ঠাঁই না পেয়ে ছেলেটা যখন ভেসে উঠল তখন তার বুকভর্তি অভিমান। অজানা অপরাধের যে সাজা তা মওকুফের জন্য আবেদন করলেই মুক্তি মিলতো হয়তো বা, কিন্তু অভিমানের বদ্ধ ঘরের দরজাটা কোথায় ছেলেটা ভুলে গিয়ে জেলখানায় কাটিয়ে দিতে লাগল তার রাত আর দিনগুলো।

সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০১৪

ঈদের নামাজে মনির

ঈদের-নামাজে-অতিরিক্ত-ছয়-তাকবীর

ঈদের নামাজে মনির দাড়িয়েছে আমার সামনের কাতারে। প্রায় সাড়ে ছয় ফুট লম্বা আর একশো কেজি ওজনের মনিরের জন্য আমি তার সামনের কাতারের লোকজনকে দেখতেই পাচ্ছি না। সাড়ে পাঁচের আমিই কখনো মনিরের পাশে দাড়াই না অথচ পাঁচ ফুট সাইজের সোলাইমান ভাই তার পাঁচ বছরের ছেলেকে নিয়ে দাড়িয়েছে মনিরের বামপাশে। নামাজ শুরুর আগে যখন মনির আদর করে তার ভাতিজাকে বাবার পাশ থেকে সরিয়ে নিজের ডান পাশে নিয়ে এল, তখন দৃশ্যটা দেখার মতই হল। তবে সেটাই শেষ নয়।