মঙ্গলবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪

এসএসসি পরীক্ষার আগের দিন




যেদিন এসএসসি পরীক্ষা থাকে তার আগের দিনে মনিরের মোবাইলে কল করে পাওয়া যায় না। কেন? কারণ ওইদিন তার আইফোন তার হাতে থাকে না, তার পরিবর্তে নোকিয়ার একটা সাদাকালো সেট থাকে, সেই সেটে তার নিজের কোন নাম্বার সেভ করা নাই। ফলে কে কল দিল চিনতে না পেরে অনাকাঙ্খিত ব্যক্তির কল রিসিভ করার ঝামেলায় যেতে চায় না সে - মাঝখান দিয়ে আমরা কল দিয়ে দিয়ে মেজাজ খারাপ করে আশেপাশের লোকজনের উপর ঝাড়ি!
: মইন্যা, কল ধরস না ক্যান?
: ভাই, নাম্বার চিনতে পারি নাই।
: চিনতে পারস নাই মানে? নাম্বার সেভ করস নাই?
: করসি ভাই। আমার আইফোনে নাম্বার সেভ করা, ওইটা স্টুডেন্টের কাছে, তার নোকিয়া আমার কাছে!
: তোর আইফোন দিয়ে সে কি করে? তার না এক্সাম?
: হু।
: তাইলে?
: আমার মোবাইল দিয়া সারাদিন ইন্টারনেট আর ফেসবুক ঘাটে!
: আজিব! পড়ে কখন?
: পড়ে না। ফাঁস হওয়া প্রশ্ন খুঁজে সারাদিন। প্রশ্ন পায়া গেলে প্রিপারেশন তো ঘন্টা দুয়েকের ব্যাপার!


 

শনিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪

ফুল অ্যান্ড ফাইনালঃ সফল নকল সিনেমা

fullঈদে যে কটা চলচ্চিত্র মুক্তি পেল তার মধ্যে ফুল অ্যান্ড ফাইনাল দেখার প্রতি আগ্রহ ছিল তুলনামূলকভাবে বেশী। আগ্রহের প্রধান কারণ হল মালেক আফসারী পরিচালিত এই সিনেমার স্টোরিলাইন কোরিয়ান সিনেমা 'ডেইজি'র সাথে ভালোভাবে মিলে যায়। ঢালিউডের বাণিজ্যিক সিনেমা মানেই ভারতীয় সিনেমার নকল হবে এটা মোটামুটি নিশ্চিতভাবে ধরে নেয়া যায়। এক-দেড় দশক আগে হিন্দী চলচ্চিত্র থেকে টুকলিফাই করা হত। এখন সাবটাইটেলের কল্যাণে তামিল-তেলেগু-মারাঠি সিনেমা থেকে নকল করা হয়। জাকির হোসেন রাজুর মত স্বনামধন্য পরিচালকও তামিল ছবি থেকে কাহিনী নিয়ে 'বান্দরবানের বাস্তব ঘটনা অবলম্বনে' সিনেমা নির্মান করে নিন্দিত হয়েছেন। মালেক আফসারী যদিও বারবার দাবী করেছেন - মৌলিক সিনেমা হবে ফুল অ্যান্ড ফাইনাল, স্টোরিলাইন কোরিয়ান সিনেমার সাথে মিলে যাওয়ায় একই সাথে খুশী এবং আগ্রহ বোধ করলাম। খুশী, কারণ ভারতীয় সিনেমা থেকে কোরিয়ান সিনেমা পর্যন্ত নজর উঁচু হয়েছে নকল-ছবি নির্মাতাদের। আগ্রহ, কারণ ডেইজির মত চমৎকার চলচ্চিত্র নির্মানে কতটুকু যোগ্যতার পরিচয় দিয়েছেন সেটা যাচাই করা।

শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪

মুক্তিযুদ্ধ, ভারতীয় সিনেমা ও বাংলাদেশ

gunday-movie-posterভারতের ছবি 'গুণ্ডে' বাংলাদেশের পত্রিকায় শিরোনাম হয়েছে মুক্তি পাওয়ারও আগে। 'গুণ্ডে' হল যশরাজ ফিল্মসের ব্যানারে নির্মিত চলচ্চিত্র যা  ভারতে একই সাথে হিন্দী এবং বাংলা ভাষায় মুক্তি পেয়েছে। মুক্তির আগে একটি গান নিয়ে কোর্টে দৌড়ঝাপ হয়েছে - 'হটকেক' হিসেবে সেই নিউজ প্রকাশিত হয়েছে বাংলাদেশের পত্রিকাগুলোয়। পত্রিকাগুলোকে দোষ দেয়ার আগে একবার ভেবে দেখা উচিত অবশ্য - এই আমরা ভারতীয় ছবির খবরের জন্য 'হা' করে বসে না থাকলে পত্রিকাগুলোর বিনোদন পাতায় ভারতীয় চলচ্চিত্রের খবর সিংহভাগ জায়গা দখল করে রাখতো না।

বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪

এফডিসি-তে ডিভাইড অ্যান্ড রুলের রাজনীতি

Divide-and-Rule-FDCডিভাইড অ্যান্ড রুল পলিসি-টা যেন কি? উইকিপিডিয়া বলে, In politics and sociologydivide and rule (or divide and conquer) is gaining and maintaining power by breaking up larger concentrations of power into pieces that individually have less power than the one implementing the strategy. The concept refers to a strategy that breaks up existing power structures and prevents smaller power groups from linking up. এই বাংলায় ডিভাইড অ্যান্ড রুল নীতিমালার সবচে বড় উদাহরণ ব্রিটিশদের বঙ্গভঙ্গ সংক্রান্ত কর্মকান্ড যা শেষ পর্যন্ত ভারতীয় উপমহাদেশকে কয়েক টুকরা করে ব্রিটিশ শাসনকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করেছিল। ডিভাইড অ্যান্ড রুল পলিসির সাম্প্রতিক প্রয়োগ এফডিসিতে দেখা গেল।

বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪

অগ্নি: বসন্তের সূচনা

Agni_PosterB-235x275থাইল্যান্ডের স্মার্ট সুদর্শন যুবক ড্রাগনের মা থাই হলেও বাবা বাংলাদেশী কিন্তু পৃথিবীতে তার একমাত্র আপনজন কাবিলা মামা একজন সিলেটি বাংলাদেশী! পরপর তিন বছর কিক বক্সিং-এ চ্যাম্পিয়ন ড্রাগনের মুষ্টিযুদ্ধ দেখা না গেলেও কয়েক দফা ট্র্যাক-রেস দেখা গেল যার সবক'টিতেই সে পরাজিত। সব ধরনের অস্ত্র পরিচালনায় প্রশিক্ষিত চৌকষ জোয়ান ড্রাগন যখন তখন তার 'মেশিন' বের করলেও হত্যাকারীকে তাড়া করার সময় পিস্তলের মুখ নয়, গর্জে ওঠে তার নিজের মুখ, উদগীরন করে - 'স্টপ!' চিৎকার। এই ধরনের কিছু মোটাদাগের গলদ নিয়ে নির্মিত হলেও বহু-প্রতিক্ষিত সিনেমা অগ্নি খুব দ্রুতই দর্শকপ্রিয়তা অর্জন করেছে। সিনেমাহলগুলোতে বিপুল পরিমান দর্শকের উপস্থিতি এবং প্রথম দু দিনেই প্রায় তিন কোটি টাকার ব্যবসা তার-ই ইঙ্গিত দিচ্ছে, কিন্তু চলচ্চিত্র হিসেবে অগ্নি কতটুকু সফল সে বিবেচনা করা প্রয়োজন। বলা বাহুল্য, জনপ্রিয় চলচ্চিত্র মানেই সফল চলচ্চিত্র নয়।

সিনেমায় প্রেমের গল্প!


অগ্নি সিনেমায় -
ড্রাগন (আরেফিন শুভ) জীবনে কোন মেয়ের প্রতি আকৃষ্ট না হলেও তানিশাকে দেখা মাত্র প্রেমে পড়ে যায়। অন্যদিকে, বাইশ তেইশ বছর বয়সী তানিশার জীবনেও ড্রাগন ছাড়া অন্য কোন প্রেমের কথা জানা যায় না।
- এরা কোন জগতের প্রাণী? কে বলে সিনেমা জীবনের গল্প বলে? এ তো নিরেট রূপকথা!

মঙ্গলবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪

আট ফুট উঁচু দেয়াল


 

দাঁতাল শুয়োরগুলোকে সব খোয়ারে ভরা হয়েছে। আবার যেন বেরিয়ে না পরে তাই খোয়ারের চারদিকে আটফুট উঁচু দেয়াল দেয়া হবে। কিন্তু যে সব শুয়োর এখনো বাহিরে সেগুলো ঢুকবে কোন পথে?


বিঃদ্রঃ এই স্ট্যাটাসের সাথে জীবিত বা মৃত কোন দেয়ালের সম্পর্ক নেই!

 

ভাত রান্না হবার কত দেরী পাঞ্জেরী?

ভাত রান্না হবার কত দেরী পাঞ্জেরী?
এখনো পাতিলের পানি উঠেনি ফুটে?
ধোয়া চাল এখনো দাও নি ঢেলে?
তুমি রান্নাঘরে আমি কম্পিউটার টেবিলে
পেটের ছুঁচোরা ডাম্বল তুলে খেলে!
পাঞ্জেরী!
জাগো কুটনামী-ভরা হিন্দী সিরিয়ালের চ্যানেল ছাড়ি
জাগো এই দারাশিকোর ক্ষুধিত চাহনি হেরি
ভাত টিপে দেখ - ভাত হবার কত দেরী, কত দেরী!

সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪

বোতল অ্যান্ড শিশি-র পার্থক্য!

pb_ef1h1350272392

হোয়াট ইজ দ্য ডিফারেন্স বিটুইন বোতল অ্যান্ড শিশি? - আজগুবি এই প্রশ্ন মাথায় আসার পর সকাল বেলায় একটা স্ট্যাটাস দিয়ে ফেলেছিলাম। এই ধরনের ফালতু, গুরুত্বহীন 'স্ট্যাটাস' টুইটারে দেয়া যায় অনায়াসে, কারণ পেটের ভেতর গুড়গুড় বন্ধ হয় কিন্তু পাবলিকও জানে না। ফেসবুকের চিত্র ভিন্ন - একটা ডট দিলেও কিছু লাইক আর কমেন্ট পাওয়া যায়। আমার করা প্রশ্নটারও কিছু উত্তর পাওয়া গেল। উত্তরগুলা ইন্টারেস্টিং!


উত্তর ১: প্রোনাউন্সিয়েশন অ্যান্ড স্পেলিং
উত্তর ২: বাচ্চা বোতলের নাম শিশি,আবার হিসুর আরেক নাম শিশি
উত্তর ৩: একটায় মাল থাকে আরেকটা খালি
উত্তর ৪: সাইজ ম্যাটার্স
উত্তর ৫: বোতলের সাস্থ্য বেশ ভাল, শিশি চিকন
উত্তর ৬: আপনি একটা বোতল
উত্তর ৭: শিশি গুলা মনে হয় চিকন আর চিকনা।
উত্তর ৮: শিশিতে বোতল থাকেনা তবে বোতলে শিশি থাকে।

 

প্রেম-ভালোবাসা নিয়ে উপলব্ধি!

দেশে সিঙ্গল ছেলে - মেয়ের অভাব না থাকলেও ভালোবাসার সিনেমা-উপন্যাসের ব্যাপক ডিমান্ড!

 

শনিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪

সেট অব বানীস!

ফেসবুকে ব্ইসা সময় নষ্ট করতেসিলাম বলা রুহুল্কা দুইটা ট্যাবে দুইটা ব্লগ খুইলা দিয়া পড়ার দায়িত্ব দিল। কাজের জিনিস - পৈড়া কয়েকটা বাণী পসন্দ হৈল। দেক্তারেন - 
১. Always swallow your pride to say you’re sorry.Being too proud to apologize is never worth it-your relationship suffers for no good benefit.
২. Don’t go into debt. That includes credit card debt, student debt, home debt, personal loans,
৩. Never send an email or message that’s unfit for the eyes of the world. In this digital age,you never know what might slip into public view.
৪. If you find yourself swimming with all the other fish, go the other way. They don’t know where they’re going either.
৫. There are few joys that equal a good book, a good walk, a good hug, or a good friend. All are free.
৬. Let go of expectations.
৭. Giving is so much better than getting. Give with no expectation of getting something in return, and it becomes a purer, more beautiful act.
৮. Competition is very rarely as useful as cooperation.
৯. Create. The world is full of distractions, but very few are as important as creating.
১০. Life is exceedingly brief. You might feel like there’s a huge mass of time ahead of you, but it passes much faster than you think.

মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪

শিক্ষামন্ত্রী আর নব্বই হাজার এ প্লাস!






মন্ত্রী সাহেব তার দলবল এবং ফটোগ্রাফার বাহিনী নিয়ে পরীক্ষার হল ভ্রমণ শেষ করে বেরিয়ে আসছিলেন - এমন সময় এক ফটোগ্রাফার - যার ঘাড়ের বামদিকের রগটা একটু ত্যাড়া - সে ঘাড় বাঁকা করেই বলল, 'এই আধাঘন্টার জন্যই হয়তো এই ক্লাসের অনেকগুলো মেয়ের কাছ থেকে 'এ প্লাস'টা হাতছাড়া হয়ে যাবে স্যার, পরীক্ষার সময় এরকম দলবেধে ভ্রমণ না করলে হয় না স্যার?'

মন্ত্রী সাহেব চশমার উপর দিকে তাকিয়ে ফটোগ্রাফারকে দেখলেন, তারপর হাসলেন 'আশি নব্বই হাজার 'এ প্লাস' যখন দিতে পারছি, এই ক্লাসের ত্রিশটা মেয়েকে কি আর দিতে পারবো না? ইনভিজিলেটর সাহেব কই! এই ক্লাসের সবগুলো মেয়ের রোলনাম্বার টুকে রাখেন - কারও যেন এ প্লাস মিস না হয়!'

বিঃদ্রঃ ছবির সাথে এই স্ট্যাটাসের কোন মিল নেই। দুটোই কল্পনাপ্রসূত!






 

 




 
Nazmul Hasan Darashiko's photo.

 







 

রবিবার, ৯ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪

প্রসঙ্গ: নিম্ন মধ্যবিত্ত

নিম্ন মধ্যবিত্তদের ব্যাপার স্যাপার ই আলাদা। এদের আর্থিক সামর্থ্য নিচের দিকে থাকে কিন্তু সম্মানবোধ রেখা সবসময় বাজার মূল্যের সাথে তাল মিলিয়ে উর্ধমুখি। আর্থিক দীনতা কোনভাবে পাশ কাটিয়ে যারা শিক্ষিত হয়ে উঠতে পারে তাদের ঘাড়ে একটা অদৃশ্য মাথা গজিয়ে যায়। সংসার চালানোর জন্যে এরা চাকরির পাশাপাশি গোপনে একটা টিউশনি করা পছন্দ করেন কিন্তু থাকার জন্য ভালো বাসা খোঁজ করেন। বছরে একদিন মাত্র ইলিশ মাছ খেলেও বড় করে পিছ করেন। লেনদেনে ব্যর্থ হয়ে মেয়ের বিয়ে দিতে না পারলে ও এরা মুখ ব্যাজার করে না, পাত্রপক্ষের কারনে বিয়ে হয়নি বলে বিশ্বাস করেন এবং নতুন উদ্দমে পাত্র খোঁজ শুরু করেন। এ সব কিছুই তারা করেন ঘাড়ের অদৃশ্য মাথার ক্ষমতায়। তেলাপোকার সাথে এই নিম্নমধ্যবিত্ত শিক্ষিত শ্রেণীর বেজায় মিল!


 

শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪

এ যুগের লেখালিখি

এই যুগে আর লেখক তৈরী হয় না, যা হয় সব টাইপিস্ট। এদের দুর্ভাগ্য হল - এদেরকে কেউ 'সব্যসাচী' বিশেষণে অভিহিত করা হয় না, কারণ এরা সবাই-ই দুইহাতে লিখে।

বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪

'যন্ত্রনা' অ্যালবামে দুঃখের গান

সটাৎ করে আইয়ূব বাচ্চু আর গুরু জেমস-এর মিক্সড অ্যালবাম 'যন্ত্রনা'র গান শোনা হয়ে গেল। 'গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া' - গানটা যে অ্যালবামে তার কথা বলছি। অ্যালবামের গানগুলো শোনা যায় - গাওয়া যায় না। ব্ড়দের গান সব - গাওয়ার জন্য 'ঘটনা' লাগে।

"ভীষনভাবে তোমাকে পড়ছে মনে
একটু কি জল গড়ালো চোখের কোনে ।
ও বন্ধু তোমার বন্ধুত্বের দোহাই
শুধু ফিরে এসো পুরনো জীবনে
ভীষন ভাবে তোমাকে পড়ছে মনে।" (নস্টালজিয়া)

"এ নয়ন অন্ধ করে দাও কেউ
আর কারও হবে প্রিয়
দেখার চেয়ে শ্রেয়
মৃত্যুর ঢেউ!" (অন্ধ)

"দরদীয়া দুখের বারুদ ঠাসা এ বুকে
দরদীয়া ব্যাথার সে সুর বাড়ছে সুখে" (বিদ্রোহী)

কিছু কিছু গান গাওয়ার জন্য জীবনে 'ঘটনা'র প্রয়োজন আছে - আত্মোপলব্ধি হচ্চে!

সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪

রোমানা মঞ্জুরের সাক্ষাতকার

ডেইলি ঢাকা ট্রিবিউনের ৬ নং পাতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষিকা রুমানা মঞ্জুরের একটা সাক্ষাতকার প্রকাশিত হয়েছে। উদ্দেশ্য - সাপোর্ট অব জাস্টিস ফর ভায়োলেন্স অ্যাগেইন্সট ওমেন। 

 
তার জামাই সাইদ যিনি মুখে পলিথিন বেঁধে আত্মহত্যা করেছিলেন - তার সাক্ষাতকার কবে প্রকাশিত হবে এখনো জানা যায় নি।

 

সক্কালবেলার অপূর্ব দৃশ্য

এই সক্কালবেলায় এক চমৎকার দৃশ্য দেখা হয়ে গেল। 
ছাদে শীতের রোদে চেয়ার পেতে বসে আছেন বয়স্ক বাবা, পাশে দাড়িয়ে তার মেয়ে যত্ন করে মাথার সাদা চুলে কলপ লাগিয়ে দিচ্ছে। পায়ের সামনে দাড়িয়ে দেড় বছর বয়সী নাতনী। দাদু তার মাথার অল্প ক'টা চুল আচঁড়ে দিচ্ছেন চিড়ুনী দিয়ে। 
অপূর্ব দৃশ্য, শুভ সকাল!

রবিবার, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪

আর্থ ইয়ার, ডগ ইয়ার, মার্স ইয়ার, হেল ইয়ার, হ্যাভেন ইয়ার

হাচিকো নামের কুকুরটা তার প্রভুর মৃত্যুর পর ৯ বছর রেলস্টেশনে অপেক্ষা করেছে - এই ঘটনাটি পোস্ট করার পর একজন পাঠক মন্তব্য করল, 'In dog years - he waited 63 years.' অর্থ্যাৎ নয় আর্থ ইয়ার ইকুয়ালস টু তেষট্টি ডগ ইয়ার এবং আর্থ ইয়ার এবং ডগ ইয়ারের মধ্যে বেশ ভালো তফাৎ।

কুকুরের বয়স নির্ণয় করার জন্য একটা মিথ আছে। বলা হয়, একজন মানুষের এক বছর বয়স হতে হতে একটা কুকুরের সাত বছর বয়স হয়ে যায়। সত্যি কথা হল - কুকুরের বয়স এর জাতের উপর নির্ভর করে বিভিন্নরকম হতে পারে। যেমন একটি কুকুরের সেক্সুয়ালি ম্যাচিওরড হতে সময় লাগে ওয়ান আর্থ ইয়ার, যেখানে গড়ে একজন মানুষের সময় লাগে তের আর্থ ইয়ার। এই হিসেবে - ওয়ান ডগ ইয়ার সমান তের আর্থ ইয়ার। কিন্তু সারা বিশ্বে ডগ ইয়ার হিসাবের গ্রহণযোগ্য ইউনিট হল - ওয়ান ডগ ইয়ার = ওয়ান সেভেন্টিন্হ অব আর্থ ইয়ার। অর্থ্যাৎ প্রতি ৫২ দিনে কুকুর এবং সমগোত্রীয় প্রাণীদের জন্য এক ডগ ইয়ার পূর্ণ হয়। 

কাজী আনোয়ার হোসেনের কুয়াশা সিরিজের নায়ক কুয়াশা মঙ্গলে চলে যাওয়ার আগে বলেছিল - তিন বছর পর পৃথিবীতে ফিরে আসবে। জবাবে শহীদ (ভুল হতে পারে) বলেছিল - তখন আর কাউকে জীবিত পাওয়া যাবে না, কারণ - তিন মার্স ইয়ার মানে প্রায় নব্বই আর্থ ইয়ার। ডগ ইয়ার সম্পর্কে জানার পর মার্স ইয়ার সম্পর্কে একটু জানতে ইচ্ছে হল। অনেক হাবিজাবি (বিজ্ঞান কম বুঝি) পড়ার পর জানা গেল ওয়ান মার্স ইয়ার ইকুয়ালস টু ৬৮৬ দিন। (ভুল হলে শুধরিয়ে দেবেন প্লিজ)। বইয়ে কি ভুল ছিল? হতে পারে!

ডগ ইয়ার, আর্থ ইয়ার, মার্স ইয়ার ইত্যাদি সম্পর্কে জানতে গিয়ে মনে পড়ে গেল - কবর, হাশর, কেয়ামত, জান্নাত, জাহান্নাম ইত্যাদি দিনগুলোর স্থায়িত্ব নিয়ে কম বেশী অনেক আলোচনা আছে। বারযাখ ইয়ার, হেল ইয়ার, হেভেন ইয়ার সমান কত আর্থ ইয়ার?

শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৪

প্রসঙ্গ: RSVP

বিয়ের কার্ডে লেখা আছে - RSVP, সাথে ফোন নাম্বার। আদ্যিকালে এই ফোন নাম্বারের আগে লেখা থাকতো - অপারগতায়, জরুরী প্রয়োজনে ইত্যাদি। বিয়েতে অ্যাটেন্ড করুন বা না করুন - ফোন করে অপারগতা প্রকাশ না করাটাও আদ্যিকালের প্র্যাকটিস। বোধহয় আদ্যিকালের প্র্যাকটিসকে দূর করার জন্যই RSVP লেখা হয়। কিন্তু এই সাংকেতিক শব্দের অর্থ সম্ভবত বেশিরভাগ লোকেরই জানা নেই। যেহেতু সাথে ফোন নাম্বার, তাই ধরেই নেয়া হয় - এই সাংকেতিক শব্দের অর্থ হল - অপারগতায়/জরুরী প্রয়োজনে; কিন্তু প্রকৃতপক্ষে অর্থ তা নয়।

RSVP একটা ফ্রেঞ্চ ফ্রেইজের সংক্ষেপ। ফ্রেঞ্চ শব্দগুচ্ছটি হল - Répondez S'il Vous Plaît, এর মানে হল 'Reply Please'। ১৮ শতকে ইংল্যান্ডের হাই সোসাইটি এই ফ্রেঞ্চশব্দগুচ্ছকে ব্যবহার শুরু করে। কোন লিখিত আহবানে RSVP লেখার অর্থ হল - আমন্ত্রিত ব্যক্তিকে অনুরোধ করা যেন তিনি কনফার্ম করেন - অনুষ্ঠানে যোগ দিবেন কি দেবেন না।

অতএব বন্ধুসকল - দাওয়াতপত্রে RSVP লেখা আছে কিনা দেখে নিন - তারপর দায়িত্ব পালন করুন :)