একটি স্ট্যান্ডার্ড বেসবল ব্যাট যার মোটা অংশের পুরুত্ব ৮ ইঞ্চি এবং হাতল অংশ ২.৭৫ ইঞ্চি ভাঙতে ৭৪০ পাউন্ডস শক্তি লাগে - গবেষনা করে এই তথ্য জানিয়েছেন ওয়েন ইউনিভার্সিটি আমেরিকা। এরকম তিনটি স্ট্যান্ডার্ড বেসবল ব্যাট এক লাথিতে ভেঙ্গে ফেলে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন যিনি তার নাম ড. ম্যাক ইউরি। ঘটনা ২০১১ সালের ৭ মে। 


রিপ্লি'র বিলিভ ইট অর নট-এর কমিক বিভাগে সুপার হিউম্যান হিসেবে তাকে পরিচিত করে দিয়ে বলা হয়েছে - মার্শাল আর্ট মাস্টার ম্যাক ইউরি ক্যান স্ন্যাপ থ্রি স্ট্যান্ডার্ড বেসবল ব্যাটস উইথ আ কিক ফ্রম হিজ বেয়ার শিন!


ম্যাক ইউরি-কে ডিসকভারি চ্যানেল সুপার হিউম্যান হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করেছে। তারা ইউরির শরীরের নানা পরীক্ষা- নিরীক্ষার পর জানায়, তার পায়ের ৯৬ শতাংশ মাংশপেশী এক সাথে কাজ করতে সক্ষম। এর আগে কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটেনি। পরে ম্যাক ইউরিকে নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরী করেছে ডিসকভারি। যা পর্যায়ক্রমে বিশ্বের ২১০টি দেশে ৬৪টি ভাষায় প্রদর্শিত হয়েছে ।

এই ম্যাক ইউরি একজন বাংলাদেশী। ঢাকার আজিমপুরে জন্মগ্রহণ করেন ইউরি। তার বাবা ছিলেন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। বাবার চাকরির সুবাদে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরেছেন ইউরি। খুলনায় ইংলিশ মিশনারি স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনের পর মিলিটারি বোর্ডিং স্কুলের কঠোর অনুশাসন ও নিয়মানুবর্তিতার মধ্য দিয়ে ক্যাডেট জীবন পার করেন। পরে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজে পড়েন তিনি।

এ ছাড়া মিলিটারি সাইন্স, ফিজিক্যাল ট্রেনিং, অবস্টাকল কোর্স, আন-আর্মড কমব্যাট, মিলিটারি ড্রিলস প্যারেডের মতো বিষয় সমূহে কৃতিত্ব অর্জন করেছেন তিনি। একই সাথে ইউরি ভারতের কাঞ্চিপুরম ও চীনের শাওলিন টেম্পল সম্পর্কিত অনুসন্ধানী গবেষণার মাধ্যমে ভারতীয় মার্শাল আর্টের লুপ্তপ্রায় ইতিহাস ও ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের মতো কাজও করেছেন। ম্যাক ইউরি 'ন্যাশনাল সিকিউরিটি একাডেমি' আমেরিকা থেকে কমিশন অফিসার্স কোর্স সমাপ্ত করেন। অর্জন করেন ব্রিটিশ হোম অফিসের অধীনস্থ সিকিউরিটি ইন্ডাস্ট্রিজ অথরিটি ভিআইপি প্রটেকশনের ওপর সর্বোচ্চ প্রফেশনাল ডিগ্রিও। এছাড়া ফায়ার ট্রেনিং একাডেমি ইংল্যান্ড থেকে ফায়ার মার্শাল কোর্সও সম্পন্ন করেন তিনি। (সূত্র: পরিবর্তন ডট কম)

এই ভদ্রলোক সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে তার ওয়েবসাইট (http://www.yureeonline.com/) থেকে। বেসবল ব্যাট ভাঙ্গার ভিডিও পাওয়া যাবে ইউটিউবে (http://www.youtube.com/watch?feature=player_embedded&v=YYJAXnlczGc)
Photo: একটি স্ট্যান্ডার্ড বেসবল ব্যাট যার মোটা অংশের পুরুত্ব ৮ ইঞ্চি এবং হাতল অংশ ২.৭৫ ইঞ্চি ভাঙতে ৭৪০ পাউন্ডস শক্তি লাগে - গবেষনা করে এই তথ্য জানিয়েছেন ওয়েন ইউনিভার্সিটি আমেরিকা। এরকম তিনটি স্ট্যান্ডার্ড বেসবল ব্যাট এক লাথিতে ভেঙ্গে ফেলে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন যিনি তার নাম ড. ম্যাক ইউরি। ঘটনা ২০১১ সালের ৭ মে।   রিপ্লি'র বিলিভ ইট অর নট-এর কমিক বিভাগে সুপার হিউম্যান হিসেবে তাকে পরিচিত করে দিয়ে বলা হয়েছে - মার্শাল আর্ট মাস্টার ম্যাক ইউরি ক্যান স্ন্যাপ থ্রি স্ট্যান্ডার্ড বেসবল ব্যাটস উইথ আ কিক ফ্রম হিজ বেয়ার শিন!  ম্যাক ইউরি-কে ডিসকভারি চ্যানেল সুপার হিউম্যান হিসেবে অ্যাখ্যায়িত করেছে। তারা ইউরির শরীরের নানা পরীক্ষা- নিরীক্ষার পর জানায়, তার পায়ের ৯৬ শতাংশ মাংশপেশী এক সাথে কাজ করতে সক্ষম। এর আগে কোনো ব্যক্তির ক্ষেত্রে এমন ঘটনা ঘটেনি। পরে ম্যাক ইউরিকে নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র তৈরী করেছে ডিসকভারি। যা পর্যায়ক্রমে বিশ্বের ২১০টি দেশে ৬৪টি ভাষায় প্রদর্শিত হয়েছে ।  এই ম্যাক ইউরি একজন বাংলাদেশী। ঢাকার আজিমপুরে জন্মগ্রহণ করেন ইউরি। তার বাবা ছিলেন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার। বাবার চাকরির সুবাদে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঘুরেছেন ইউরি। খুলনায় ইংলিশ মিশনারি স্কুলে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনের পর মিলিটারি বোর্ডিং স্কুলের কঠোর অনুশাসন ও নিয়মানুবর্তিতার মধ্য দিয়ে ক্যাডেট জীবন পার করেন। পরে ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজে পড়েন তিনি।  এ ছাড়া  মিলিটারি সাইন্স, ফিজিক্যাল ট্রেনিং, অবস্টাকল কোর্স, আন-আর্মড কমব্যাট, মিলিটারি ড্রিলস প্যারেডের মতো বিষয় সমূহে কৃতিত্ব অর্জন করেছেন তিনি। একই সাথে ইউরি ভারতের কাঞ্চিপুরম ও চীনের শাওলিন টেম্পল সম্পর্কিত অনুসন্ধানী গবেষণার মাধ্যমে ভারতীয় মার্শাল আর্টের লুপ্তপ্রায় ইতিহাস ও ঐতিহ্য পুনরুদ্ধারের মতো কাজও করেছেন। ম্যাক ইউরি 'ন্যাশনাল সিকিউরিটি একাডেমি' আমেরিকা থেকে কমিশন অফিসার্স কোর্স সমাপ্ত করেন। অর্জন করেন ব্রিটিশ হোম অফিসের অধীনস্থ সিকিউরিটি ইন্ডাস্ট্রিজ অথরিটি ভিআইপি প্রটেকশনের ওপর সর্বোচ্চ প্রফেশনাল ডিগ্রিও। এছাড়া ফায়ার ট্রেনিং একাডেমি ইংল্যান্ড থেকে ফায়ার মার্শাল কোর্সও সম্পন্ন করেন তিনি। (সূত্র: পরিবর্তন ডট কম)  এই ভদ্রলোক সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে তার ওয়েবসাইট (http://www.yureeonline.com/) থেকে। বেসবল ব্যাট ভাঙ্গার ভিডিও পাওয়া যাবে ইউটিউবে (http://www.youtube.com/watch?feature=player_embedded&v=YYJAXnlczGc)