মিরপুরে বাউনিয়াবাঁধ বস্তির কথা অনেকবার শুনতে হয়েছে - বাংলাদেশের সবচে বড় বস্তি নাকি এটাই। গত মে মাসে প্রথমবার এই বস্তিতে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল।

Center for Zakat Management (CZM) এর ডকিউমেন্টারি শ্যুট করার জন্য গিয়েছি। বস্তি এলাকায় প্রিয় ত্রিশটি সেন্টার আছে - গুলবাগিচা সেন্টার নামে পরিচিত। স্কুলে ভর্তি হওয়ার আগের এক বছর বস্তির বাচ্চাদের এই স্কুলের মাধ্যমে ভর্তির উপযোগি করে তোলা হয় যেন পরবর্তীতে ভালো কোন সরকারী স্কুলে ভর্তি হয়ে এইসব বাচ্চা পড়াশোনা শুরু করতে পারে। পড়াশোনার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার - সব মিলিয়ে এক বছরে একটা বাচ্চার জন্য খরচ হয় ৬০০০ টাকা। 

ছোট্ট একটা ঘরে বাচ্চাদের পড়ার দৃশ্য ইত্যাদি শ্যুট করা মোটামুটি কষ্টের কাজ। ক্যামেরাম্যান একাই যা করার করলেন। শেষ দৃশ্যটি ছিল এরকম - ছুটি হয়ে গেছে, বাচ্চারা দলবেধে বের হয়ে ছুটে বের হয়ে যাচ্ছে। একবারেই যেন টেক করা যায় সেজন্য বারবার বাচ্চাদের বুঝিয়ে আমি বাইরের দিকে এক কোনায় এসে দাড়িয়েছি - বাচ্চারা দৌড়ে আমার কাছ পর্যন্ত এলেই ফ্রেম-আউট হবে, তারপরেই তাদের ছুটি। সব ঠিকঠাক করে ছুটি দিয়ে দেয়া হল - বাচ্চারাও হুড়মুড় করে বেরিয়ে দৌড়। প্রায় ২৫-৩০টা বাচ্চা। ছুটতে ছুটতে আমার কাছে হাজির। আমি ভাবলাম 'ওকে' হয়ে গেছে - ক্যামেরাম্যান দূর থেকে ইঙ্গিত করল বাচ্চাদের পায়ের দিকে - উত্তেজনায় সব বাচ্চাই স্যান্ডেল স্কুলে রেখেই চলে এসেছে!

বাচ্চাদের একত্রিত করে দ্বিতীয় টেকের জন্য উজ্জীবিত করছি - এই ছবিটা সেসময় তুলেছেন আহমেদ ভাই।
Photo: মিরপুরে বাউনিয়াবাঁধ বস্তির কথা অনেকবার শুনতে হয়েছে - বাংলাদেশের সবচে বড় বস্তি নাকি এটাই। গত মে মাসে প্রথমবার এই বস্তিতে যাওয়ার সুযোগ হয়েছিল।  Center for Zakat Management (CZM) এর ডকিউমেন্টারি শ্যুট করার জন্য গিয়েছি। বস্তি এলাকায় প্রিয় ত্রিশটি সেন্টার আছে - গুলবাগিচা সেন্টার নামে পরিচিত। স্কুলে ভর্তি হওয়ার আগের এক বছর বস্তির বাচ্চাদের এই স্কুলের মাধ্যমে ভর্তির উপযোগি করে তোলা হয় যেন পরবর্তীতে ভালো কোন সরকারী স্কুলে ভর্তি হয়ে এইসব বাচ্চা পড়াশোনা শুরু করতে পারে। পড়াশোনার পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার - সব মিলিয়ে এক বছরে একটা বাচ্চার জন্য খরচ হয় ৬০০০ টাকা।   ছোট্ট একটা ঘরে বাচ্চাদের পড়ার দৃশ্য ইত্যাদি শ্যুট করা মোটামুটি কষ্টের কাজ। ক্যামেরাম্যান একাই যা করার করলেন। শেষ দৃশ্যটি ছিল এরকম - ছুটি হয়ে গেছে, বাচ্চারা দলবেধে বের হয়ে ছুটে বের হয়ে যাচ্ছে। একবারেই যেন টেক করা যায় সেজন্য বারবার বাচ্চাদের বুঝিয়ে আমি বাইরের দিকে এক কোনায় এসে দাড়িয়েছি - বাচ্চারা দৌড়ে আমার কাছ পর্যন্ত এলেই ফ্রেম-আউট হবে, তারপরেই তাদের ছুটি। সব ঠিকঠাক করে ছুটি দিয়ে দেয়া হল - বাচ্চারাও হুড়মুড় করে বেরিয়ে দৌড়। প্রায় ২৫-৩০টা বাচ্চা। ছুটতে ছুটতে আমার কাছে হাজির। আমি ভাবলাম 'ওকে' হয়ে গেছে - ক্যামেরাম্যান দূর থেকে ইঙ্গিত করল বাচ্চাদের পায়ের দিকে - উত্তেজনায় সব বাচ্চাই স্যান্ডেল স্কুলে রেখেই চলে এসেছে!  বাচ্চাদের একত্রিত করে দ্বিতীয় টেকের জন্য উজ্জীবিত করছি - এই ছবিটা সেসময় তুলেছেন আহমেদ ভাই।