রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

পুত্র সন্তানের পিতৃত্ব

বিয়ের দেড় বছরের মাথায় নাসিরের বউ যখন একটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিল তখন রাজুর ছেলের বয়স দুই সপ্তাহ। রাজু আর নাসির একই অফিসে চাকরী করে - নাসির পিওন আর রাজু ড্রাইভার। সন্তানের বাবা হওয়ার মাধ্যমে নাসির আর রাজুর মধ্যকার অদৃশ্য প্রতিযোগিতায় রাজু হঠাৎ এক ধাপ এগিয়ে গেল নাসিরের কল্যাণে। বিজয় উল্লাসে মত্ত রাজু নাসিরকে কৃত্রিম সহানুভূতি জানালো এভাবে - 'নাসির, প্রথম বাচ্চা ছেলে না মেয়ে তার উপর নির্ভর করে পরের বাচ্চা ছেলে হবে না মেয়ে হবে। তোমার তো প্রথমটা মেয়ে হয়েছে, এখন তোমার শুধু মেয়ে হবে - দুইটা, তিনটা, চারটা মেয়ে, তারপর ছেলে হবে। আমার তো প্রথম বাচ্চাটা ছেলে - এখন আমার শুধু ছেলে হবে, দুইটা, তিনটা, চারটা ছেলে। তারপর যদি মেয়ে হয় আরকি। তুমি দুশ্চিন্তা কইরো না, আল্লাহ ভরসা'

এই কথায় নাসিরের মুখে কালবৈশাখির মেঘ জমা হয়। অফিসের স্যাররা যখন হাসিমুখে জিজ্ঞেস করে - কি নাসির- ছেলে না মেয়ে?, নাসির তখন ঘন অন্ধকার মুখ মাটিতে লাগিয়ে গোমড়া মুখে বলে - মেয়ে স্যার! অফিসের স্যাররাও ধমক দেয় - মেয়ের বাপ হওয়া কত ভাগ্যের, জানো? জানো ইসলামে মেয়ের বাপ সম্পর্কে কি বলছে? দুয়েকটা হাদীসও শুনিয়ে দেয় তারা, কিন্তু নাসিরের মুখ থেকে অনাগত দুইটা, তিনটা, চারটা মেয়ের দুশ্চিন্তার অন্ধকার দূর হয় না।

আড়াই বছর বাদে নাসির আবার বিক্রমপুর মিষ্টান্ন ভান্ডার থেকে মিষ্টির প্যাকেট নিয়ে অফিসে হাজির হয়- এবার তার মুখে শরতের ঝকঝকে রোদ। প্রশ্ন করার আগেই সে হাসিমুখে জানিয়ে দেয়- ছেলে হয়েছে স্যার!

পুত্র সন্তানের পিতৃত্বে রাজুর সমকক্ষ হওয়ায় নাকি কন্যা সন্তানের বিপদ থেকে মুক্তির আনন্দে এই জ্বলজ্বলে হাস্যোজ্বল মুখ - সে কেবল নাসিরই জানে।

শুক্রবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

ইভটিজিং: ইতিবাচক পৃথিবীর নেতিবাচক কর্ম

সিনেমাহলের একটি বিশেষ ক্ষমতা আছে। অনেকগুলো মানুষকে পেটের মধ্যে নিয়ে অন্ধকার একটি ঘরে ত্রিশ ফুট চওড়া সাদা পর্দায় যখন ছবি চালতে শুরু করে, তখন পেটের ভেতরে থাকা দর্শকরা এক অন্য জগতে স্থানান্তরিত হয়। সেই জগতে সরব থাকে শুধু পর্দার লোকজন, ঘটনা ঘটে শুধু তাদের জীবনে, এপাশে বসে থাকা মানুষগুলো নীরবে সেই ঘটনার সাক্ষী হয়, তাদের আনন্দে হাসে, দুঃখে কাঁদে। সিনেমাহলের এই ক্ষমতাকে ব্যবহার করার জন্য গল্প তৈরী করে ছবি নির্মান করে সাদা পর্দায় প্রক্ষেপন করতে পারাটাই পরিচালকের যোগ্যতা, সিনেমার স্বার্থকতা। ছবি বিচারের এই যদি হয় মাপকাঠি, তবে কাজী হায়াৎ পরিচালিত সিনেমা 'ইভটিজিং' একটি সার্থক চলচ্চিত্র। কিন্তু সিনেমাহলের বাহিরের চিন্তাভাবনা-বিশ্লেষণ যদি মাপকাঠির অন্তর্ভূক্ত হয়, তবে বিস্তারিত আলোচনার প্রয়োজনও বাড়ে।

বৃহস্পতিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

লিখালিখিতে দুর্ঘটনা

লিখালিখির শুরুটা কাগজে। অর্ধেক লিখেছি কিন্তু মাঝপথে নষ্ট হয়ে গেছে এমন ঘটনা ঘটে নাই কখনো। কাগজে লিখেছিলাম আমার জীবনের সবচে সেরা গল্পটা, পাঁচ বছর আগে পুরো গল্পটাই হারিয়ে গেল - এই ক্ষতি অপূরণীয়। ওই গল্প আরেকবার লেখা সম্ভব না। 

কাগজ থেকে কম্পিউটারে আসলাম। মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লিখতাম। সেভ করা হয় নাই, বিদ্যুত চলে গিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে এমন ঘটনা অসংখ্য। ইউপিএস আছে কিন্তু ভাইরাস ওয়ার্ড ফাইলকে এক কিলোবাইট সাইজে নিয়ে গেছে, অথবা, এমনভাবে হ্যাং হয়েছে যে বন্ধ করে দেয়া ছাড়া আর উপায় ছিল না - এমন ঘটনাও আছে। 

ব্লগিং শুরু করার পর সার্জিও লিওনি-র টাইম ট্রিলজি নিয়ে আমি তিনবার শুরু করেছি এবং তিনবারই নষ্ট হয়ে গিয়েছিল - দেড় বছর পরে আবার লিখেছি - নতুন করে। এই হঠাৎ নষ্ট হয়ে যাওয়ার সমস্যা থেকে বাঁচার জন্য চতুর্মাত্রিকে লিখা শুরু করি - ওখানে অটোসেভ হয়। সেখানেও একবার কি প্রবলেম হল - অটোসেভ বন্ধ হয়ে গেল। জিমেইলে লেখা শুরু করলাম। এখানে অটোসেভ হয়, কিন্তু লিখে শান্তি পাই না। 

এর মাঝে সামু অটোসেভ ফাংশন চালু করল। ব্লগার স্নিগ এর বুদ্ধিতে লাজারুস এক্সটেনশন যোগ করে নিলাম। ভালোই সার্ভিস। অটোসেভ কাজ না করলেও লাজারুস ঠিকই ফেরত নিয়ে আসে। 

এবার অটোসেভ, লাজারুসও ফেল। গতকাল ইভটিজিং নিয়ে লিখেছিলাম - এইমাত্র আবিষ্কার করলাম প্রথম প্যারাগ্রাফ ছাড়া বাকীটা হাওয়া - অটোসেভ হয় নাই, লাজারুসও সেভ করে নাই। 

ছিগন্যাল ছাড়া কান্তাসি

শুক্রবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

বিচ্ছুকাহিনী

১. 
দুলাভাইকে সি-অফ করতে গিয়ে এয়ারপোর্টে বসে আছি। আমার পেছন দিকে এক ভদ্রলোক বাহিরে যাচ্ছেন। তার স্ত্রী, মা কান্নাকাটি করছে আর ছোট বাচ্চাটি চুপচাপ দেখছে। একবার মুখ ঘুরিয়ে দেখলাম, তারপর আবার নিজেদের দিকে মনযোগ দিলাম। 
হঠাৎ 'থুঃ' শব্দে চমকে পেছনে তাকালাম। বাচ্চা ছেলেটি একদলা থুতু ফেলেছে - আর কোথাও নয় - একদম আমার পিঠে!

২. 
বড় বোন দুলাভাই-র সাথে মধুমিতা সিনেমাহলে সিনেআম দেখতে গেছি। সিনেমা দেখতে দেখতে আমার বোন ঘুমিয়ে পড়ল। হঠাৎ 'দ্রিম' শব্দে চমকে গেলাম, বোনও চিৎকার করে জেগে গেল। পেছনের সারির এক পিচ্চি ঘুমন্ত আপার মাথায় দিয়েছে এক কিল - সিনেমা দেখতে এসে ঘুম?

৩. 
কাজিনের বাসায় বেড়াতে গিয়েছি। কাজিনের ছোট ছেলেটা ফুলের ঝাড়ু নিয়ে ঘর ঝাড়ু দিচ্ছে দেখলাম। আমরা নিজেরা কথা বলছি হঠাৎ 'দুম!' ঝাড়ু দিয়ে আমার মাথায় দিয়েছে এক বাড়ি! 

৪. 
আমার নয়, সবগুলোই কলিগদের নিজস্ব অভিজ্ঞতা। বাচ্চা কাচ্চা মানেই গুটু গুটু নয় - সাবধান!

বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

Architecture 101: প্রেমের স্থাপত্য

Architect Posterপ্রথম প্রেম হয়েছিল যার সাথে তার সাথে যদি পুনরায় সম্পর্ক স্থাপনের সুযোগ দেয়া হয় তাহলে কি করবেন? প্রায় একহাজার অবিবাহিত ব্যক্তিকে দুটো অপশন থেকে বাছাইয়ের সুযোগ দিয়ে এই প্রশ্ন করা হয়েছিল। শতকরা সত্তর জন বলেছেন – প্রথম প্রেমকে তারা তাদের স্মৃতিতেই রাখতে চান, পুনরায় সম্পর্ক স্থাপনের সুযোগ পাওয়ার পরও। প্রথম প্রেম নিয়ে এই গবেষনা করার পেছনে অন্যতম কারণ হল আর্কিটেকচার ১০১ সিনেমাটি যা সবচে বেশীবার দেখা কোরিয়ান মেলোড্রামা সিনেমার তালিকায় এক নাম্বার। কতবার দেখা হয়েছিল সিনেমাটি? নয় সপ্তাহে একচল্লিশ লক্ষবার। ঘটনাস্থল দক্ষিন কোরিয়া।

রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

রিয়েললাইফ বাসভ্রমন কৌতুক

১.
কোন এক ভদ্রলোক বাসের মধ্যে বারবার বিড়ি ধরাচ্ছেন।
সহযাত্রী: বাসে একটা রামছাগল উঠছে। বারবার সিগারেট ধরায়। নামায়া দেয়া উচিত।
সুপারভাইজার: ড্রাইভার সাহে বিড়ি খাচ্ছে স্যার
আমি: 

২.
সাত আটজন পুলিশ বাসে উঠে সার্চ করছে। একই ব্যাগ দুজন সার্চ করে যাওয়ার পর তৃতীয়জন -
পুলিশ: অ্যাই, এই আপেলের ব্যাগটা কার? (জবাব না পেয়ে) আপলের ব্যাগটা কার? আপেলের সবুজ রং এর ব্যাগটা কার?
আরেক পুলিশ: আপেল না স্যার, পেয়ারা।
সবাই: 

বুধবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

অ্যাটাকড বাই গাঞ্জুট্টি!

কারওয়ানবাজারে ফলের দোকানগুলার কোন কোনটার সামনে মোটা ত্রিপল দিয়ে ছাউনী দেয়া থাকে, বৃষ্টি থেকে বাঁচার জন্য। আমড়া কেনার জন্য গতকাল এরকম একটি দোকানে শেডের নিচে ঘোড়া নিয়ে ঢুকে পড়লাম। ঘোড়ায় বসেই দরদাম করছি - হঠাৎ দুম করে মাথার উপরের ছাউনীতে একটা ইট পড়ল। চমকে গিয়েছিলাম, কিন্তু চমক কাটতে না কাটতেই আরেকটা পড়ল, তারপর আরও একটা। ছাউনী না থাকলে তার প্রত্যেকটাই আমার মাথা অথবা শরীরে পড়ত!

দোকানদার ছেলেটার দিকে পশ্নের দৃষ্টিতে তাকালাম। 'গাঞ্জুট্টি। নেশা করে মাতাল হলে এরকম করে। আপনি বের হয়েন না, ভিতরে ঢোকেন আরও' - আমি আরেকটু ভিতরে চেপে দাড়ালাম। 'কিছু বলতেও পারি না - বললেই সমস্যা করে' - ছেলেটা হতাশ স্বরে বলল।

বিপরীত দিকের দোকানে বসা এক বৃদ্ধ 'অ্যাই অ্যাই থাম থাম' বলে থামানোর চেষ্টা করছিল, কিন্তু লাভ হচ্ছিল না। ছোট বড় আকারের ইটের টুকরা পড়ছিল। ভয় পেয়ে গেলাম - আমাকে মারার চেষ্টা করছে নাকি!

আমড়া কেনা শেষ। ঘোড়া ঘুরিয়ে প্রস্তুত হলাম। দুটো ইট পড়ার মাঝে সামান্য একটু সময় পাওয়া যাবে, ওই সময় ছুটতে হবে। একটা ইট পড়ল, আমিও ছুটলাম - এক টানে কয়েকটা দোকান পার হয়ে নিরাপদ জায়গায়। তারপর ঘুরে ছাদের দিকে তাকালাম।

ধুর! গাঞ্জুট্টি কই? বছর তিনেক বয়সের দুটো ন্যাংটা সেখানে - ইট জমা করে ছুড়ছে শেডের উপরে!

মৃত্যু!

১.
রাত দুটো। আমি কম্পিউটারে ডুবে আছি। বারোটার পর নেটে কিছুটা স্পিড পাওয়া যায়। রাতের দুঘন্টায় দিনের প্রায় ছ'ঘন্টার কাজ হয়। হঠাৎ-ই আব্বা ঢুকল রুমে - সেকান্দারের বাবা মারা গেছে! সেকান্দার সাহেব আমাদের প্রতিবেশী - উনার বাবার বয়স আশির মত, হাসপাতালে ছিলেন কদিন ধরে। আমাকে বাসায় রেখে আব্বা-আম্মা চলে গেলেন তাদের বাসায়। গেল জুনের ঘটনা।

২. 
অফিস থেকে ফিরে শাওয়ারের নিচে দাড়িয়েছি। নারীকন্ঠের চিৎকার শুনে শাওয়ার কমিয়ে দিলাম। বাসার পাশেই হাসপাতাল - মাঝে মাঝেই সেখানে রোগী মারা যায় - তখন কান্নার শব্দ পাওয়া যায়। এই মহিলা চিৎকার করে বিলাপ করছিল। আমি শাওয়ারের নিচে দাড়িয়ে দাড়িয়ে মহিলার বিলাপ বোঝার চেষ্টা করতে থাকলাম, মিনিট খানেক বাদেই ছন্দটা ধরে ফেললাম।
লা ইলাহা ... ইল্লাল্লাহু.... মোহাম্মাদুর.... রাসুলুল্লাহ ..... লা ইলাহা ... ইল্লাল্লাহু.... মোহাম্মাদুর.... রাসুলুল্লাহ ..... লা ইলাহা ... ইল্লাল্লাহু.... মোহাম্মাদুর.... রাসুলুল্লাহ .....
গতকালকের ঘটনা।

৩.
অফিসে কাজ করছি। জাহিদের ফোন। 'ভাই গতকাল মিজান ভাইয়ের আম্মা মারা গেছেন জানেন বোধহয়, আমাদের বন্ধু ইমরানের মা'ও গতকাল মারা গেছেন। আমরা সবাই মিলে একবার কোরআন শরীফ খতম করার উদ্যোগ নিছি। আপনাকে ২৫ নম্বার পারাটি পড়তে হবে।'

কত মৃত্যুর খবর পাই। সেলিব্রেটিদের মৃত্যুতে প্রোফাইলে কালো ছবি ঝোলে, এক মিনিট নীরবতা পালন হয়, কফিনে-কবরে ফুলের মালা জমা হয় - কোরআন খতমের খবর পাই না। আমি মারা গেলে কোরআন পড়ার লোক থাকবে তো? আর কেউ না থাক - জাহিদ যেন থাকে সেটা নিশ্চিত করতে এক ঘন্টা সময় ব্যয় করবো আমি।

৪.
কুল্লু নাফসিন যা ইক্বাতুল মউত। 
সকল প্রাণীকেই মৃত্যুর স্বাদ আস্বাদন করতে হবে।

রবিবার, ১ সেপ্টেম্বর, ২০১৩

বলিউড যেভাবে উন্নত হল

[caption id="attachment_1974" align="alignleft" width="210"]boollywood_300_300 নাইজেরিয়ার ফিল্ম ও ভিডিও সেন্সরবোর্ডের সদস্যদের সাথে সরকার মোহন[/caption]

ভারতীয় চলচ্চিত্র আমদানীর পক্ষে সমর্থন দেয় যে সকল দর্শক তাদের বেশীরভাগের যুক্তি হল - প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরী করলেই বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্প উন্নত হবে এবং বিশ্বমানের না হলেও ভারতীয় মানের চলচ্চিত্র বাংলাদেশেই তৈরী করা সম্ভব হবে। এই বক্তব্যের যৌক্তিকতা সম্পর্কে তাদের অনেকেই উদাহরণ হিসেবে ভারতের কোলকাতার ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির উদাহরণ তুলে ধরেন। বিশ বছর আগে কোলকাতার চলচ্চিত্র বাংলাদেশের চেয়েও খারাপ ছিল এবং এখন শুধুমাত্র বলিউড বা হিন্দী ভাষার চলচ্চিত্রের সাথে প্রতিযোগিতা করে কোলকাতার চলচ্চিত্র উন্নতি করেছে - এমন বক্তব্যের জবাবে আমি সবসময়ই বলে এসেছি - প্রতিযোগিতা নয়, যথাযথ সরকারী উদ্যোগই চলচ্চিত্র শিল্পকে উন্নত করতে পারে, প্রতিযোগিতা বড়জোর সহায়ক উপাদান হতে পারে। পাল্টা জবাবে শুনতে হয় - স্বাধীনতার চল্লিশ বছর অনেক অনেক সুবিধা প্রদাণ করার পরেও যেহেতু আমাদের চলচ্চিত্র শিল্প উন্নত হতে পারে নি, তখন প্রতিযোগিতা ছাড়া আর কোন উপায় নেই।