শনিবার, ৩১ আগস্ট, ২০১৩

ভারতীয় চ্যানেল এবং দেশপ্রেম

নিউমার্কেটের ভিতরে একটা ক্যামেরার দোকান আছে - ক্যামেরা সারানোর প্রয়োজনে দুইবার যেতে হয়েছিল গত সপ্তাহে। দুদিনই দেখলাম দোকানের টিভিতে কোলকাতার বাংলা চ্যানেল চলছে। প্রথমদিন একটা সিরিয়াল - সা সা করে ক্যামেরা মুখের উপর স্থির হচ্ছে শুধু, আর দ্বিতীয়দিন, কোন একটা ট্যালেন্ট হান্ট শো। যেহেতু আমি টিভির দর্শক না তাই দুটোর একটাও চিনতে পারলাম না।



দ্বিতীয়দিন যে ছেলেটা ক্যামেরা সারাই করছিল তাকে বলে ফেললাম - ভারতীয় চ্যানেল দেখেন কেন? বাংলাদেশী চ্যানেল দেখতে পারেন না?


সে প্রথমে জবাব দিল - 'বাংলাদেশী চ্যানেলে দেখার কিছু আছে নাকি?' তারপর একনাগাড়ে বলে গেল - বাংলাদেশে যোগ্যতার বিচার হয় না, আমার আপনার মেধা আছে কিন্তু সেই মেধার কোন বিচার হয় না, বাংলাদেশী চ্যানেলে এরকম একটা অনুষ্ঠান করতে পারবে? অনুষ্ঠানটা যদি আমি আর দশ মিনিট দেখি তাহলে বাংলাদেশী প্রতিযোগিও পাবো যার মেধার বিচার বাংলাদেশে হচ্ছে না বলে সে ভারতে গেছে। এই দেশে আছে কি? জীবনের কোন নিরাপত্তা নাই। আমি এখান থেকে বের হবো, আমার জীবনের নিরাপত্তা নাই, কেউ আমাকে খুন করে ফেলল, তারপর এক মাস পর জেল থেকে বের হয়ে আসল ইত্যাদি ইত্যাদি।


আমি ততক্ষনে অন্য চিন্তায় ডুবে গিয়েছি - কথা কানে ঢুকে নি। বাংলাদেশের কোন সরকারের হ্যাডম নাই জানি, তারপরও কোন সরকার যদি দুঃসাহস দেখিয়ে ৫০টা ভারতীয় চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ করে দেয় তাহলে ঠিক কতদিন ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারবে? কল্পনার ঘোড়া উড়ালল দিল রীতিমত - বাসার কর্তা যদি বন্ধ করে দেয় তাহলে কি হবে? অসহযোগ আন্দোলন - গৃহিনী রান্না বন্ধ করে দেবে - সিরিয়াল বন্ধ, ছোট সন্তানটা খাওয়া বন্ধ করে দেবে - কার্টুন বন্ধ, বড় সন্তানটা স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দেবে - স্পোর্টস চ্যানেল বন্ধ, মেয়েটা মুখ গোমড়া করে থাকবে সারাদিন - মিউজিক চ্যানেলটা বন্ধ, কর্তা নিজেও হয়তো সিআইডি দেখতে না পারার কারণে রাতে হাঁসফাঁস করবেন। নাট্যকার বন্ধুরা কি কল্পনার ঘোড়া ছুটিয়ে কিছু তৈরী করবেন?


ভারতীয় চ্যানেল দেখে দেখে এই আমরাই প্রতি বছর দুই হাজার কোটি টাকা ভারতে পাঠিয়ে দিচ্ছি। দেশপ্রেম যদি শুধু পাকিস্তানের চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্ধারের মধ্যে সীমিত হয়ে যায়, তাহলে প্রেম থাকলেও থাকতে পারে, কিন্তু নিশ্চিত থাকেন - 'দেশ'টি হারাতেই হবে।

শুক্রবার, ৩০ আগস্ট, ২০১৩

THE SHINING: রক্ত হিম করা ছবি

নেই কোন বিকৃত বীভত্‍স চেহারার আনাগোনা,নেই কোন মানুষ কাটাকুটি বা নরখাদকের দৃশ্য কিংবা না আছে ভয়ানক আর্তচিত্‍কার বা হঠাত্‍ হঠাত্‍ পিলে চমকানো সাউন্ড ইফেক্ট,ঘুটঘুটে অন্ধকারে আকস্মিক ফ্যাকাসে লাশের আচমকা আক্রমনের দৃশ্যও নেই, তবুও সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সাইকোলজিকাল হরর সিনেমাগুলোর একটি এটি। কিংবদন্তী চলচ্চিত্রকার Martin scorsese এই ছবিটিকে অভিহিত করেছেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ১১টি ভৌতিক ছবির একটি হিসেবে। অনেক চলচ্চিত্রবোদ্ধার মতে এটি শ্রেষ্ঠ ১০০টি সিনেমার মধ্যে একটি।

বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৩

চ্যাটিংস্টোরি: ফায়ার ব্রিগেড

: তোকে নিয়ে আমার হয়েছে বিপদ!
: আমি আবার কি করলাম?
: তুই আমাকে শুধু জ্বালাস!
: ফায়ার ব্রিগেড ডাক্।
: তুই আগুন লাগিয়েছিস, তুই নিভা।
: অ্যা? এটাই কর্তব্য নাকি?
: হ্যা।
: ফায়ার ব্রিগেড তাহলে এই কাজ করে? আগুন জ্বালায় তারপর ভোঁ করে নিভাতে যায়?

বুধবার, ২৮ আগস্ট, ২০১৩

প্রসঙ্গঃ ভারতীয় সিনেমা আমদানীর 'গোপন' ও 'জোর' প্রচেষ্টা

1185734_560010144034791_1310281941_nবাংলাদেশে ভারতীয় সিনেমা আমদানীর 'গোপন' কিন্তু 'জোর' প্রচেষ্টা সফলতার মুখে পৌছে গেছে।


'গোপন প্রচেষ্টা' - কারণ ভারতীয় সিনেমা আমদানী সংক্রান্ত বিভিন্ন ঘটনা ঘটে যাওয়ার পরে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশী চলচ্চিত্রের নির্মাতারা বারবার বলছেন - এ ব্যাপারে তাদরেকে বিস্তারিত না জানিয়েই কাজ হচ্ছে। ঈদের ঠিক আগে আগে প্রসেনজিত এসেছিলেন বাংলাদেশে - তথ্যমন্ত্রীর সাথে বসে মিটিং করেছেন বাংলাদেশী প্রযোজক সমিতির দুজন সদস্যের সাথে। প্রযোজক সমিতির সভাপতি শহীদুল ইসলাম খোকন বলেছেন - প্রসেনজিত থাকবে এমনটি তাদের জানানো হয় নি। 

সোমবার, ২৬ আগস্ট, ২০১৩

চ্যাটিং স্টোরি: অবাক কথা!

: আমি আজ ভেজিটেবল রোল বানাইছি।
: লোকে খেতে পারল? নাকি গরুকে দেয়া লাগছে।
: আমি এত খারাপ কুক না।
: আরও খারাপ কুক? গরুতেও খায় না এমন রান্না?
: জ্বি না! আমি ভালো কুক।
: অ।
: জানেন আমার খুব ইচ্ছে ছিল প্রেম ট্রেম করবো!
: কেউ পাত্তা দেয় নাই?
: আমি কি এতই খারাপ?? সময় সুযোগ পাই নি।
: অ।
: এখন ভাবছি প্রেম ট্রেম করবো। যাকে ভালো লাগে সে অবশ্য আমাকে পাত্তা দিচ্ছে না।
: কেন? আপনি কি এতই খারাপ?
: আমাকে ছোট ভাবছে!
: সেই ব্যাটা কি এতই বুড়া?
: ব্যাটা বলবেন না - সে ডিস্ট্রিক্ট জাজ।
: সো হোয়াট? জাজ হলেই কি বেটি হয়ে গেল নাকি?
: ব্যাটা বলবেন না, ভদ্রলোক বলবেন।
: কি অদ্ভুত! বেটিকে ভদ্রলোক বলবো কেন??

সোমবার, ১৯ আগস্ট, ২০১৩

মাদকাসক্তি ও ঐশী প্রসঙ্গ

ঐশী_3মাদকের কারণে বাবা এবং/অথবা মা-কে আক্রমন, হত্যা ইত্যাদির ঘটনা বাংলাদেশে নতুন নয়, মাদকাসক্ত সন্তানকে থানায় দিয়ে আসার ঘটনাও প্রচুর ঘটেছে। ঐশী'র ঘটনায় নতুন ব্যাপারটা হল - ঐশী একজন মেয়ে, এর আগের প্রায় সব ঘটনায়ই অভিযুক্ত ছিল কোন ছেলে। বিড়ি-সিগারেট-মদ-গাজা-শীশা-ইয়াবা-হেরোইন ইত্যাদি বাংলা মিডিয়ামের বা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মেয়েদের মধ্যে কম-বেশী প্রচলিত থাকলেও ঐশী'র ঘটনা শুধু ইংলিশ মিডিয়াম এবং প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দিকে বেশী আঙ্গুল তুলছে - তার প্রধাণ কারণ তাদের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা। ঐশী'র মত মেয়েরা কেন মাদকের দিকে আকৃষ্ট হচ্ছে সেটা নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে ইংলিশ মিডিয়াম থেকে পুরো শিক্ষাজীবন শেষ করা সমবয়সী কলিগ নতুন কিছু জানালো।

তিনি বলছেন মাদকের প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার জন্য মেয়েদের ড্রেস একটা ভালো ভূমিকা রাখে। কিরকম? যে সকল মেয়ে বাংলাদেশী সনাতন সেলোয়ার কামিজ পড়ে তারা ফিগার নিয়ে অপেক্ষাকৃত কম টেনশনে ভোগে - কারণ কিছুটা ঢোলা পোশাক শরীরের সামান্য বাড়তি মেদ ঢেকে রাখতে পারে। অন্যদিকে, যে ট্রাউজার বা টিশার্টে অভ্যস্ত, তাকে ফিগার সম্পর্কে খুবই সচেতন হতে হয়, কারণ ট্রাউজার বা টিশার্ট বেমানান দেখায় যদি ফিগার সেরকম না হয়। এই ফিগার তৈরী ও বজায় রাখার আগ্রহে অনেকে ইয়াবার মত মাদক ব্যবহার শুরু করে। প্রাথমিকভাবে খাবারের রুচি নষ্ট হয়ে ফিগার তৈরী সম্ভব হলেও একটা সময় অ্যাডিকশন তৈরী হয়ে যায়।

দ্বিতীয় যে বিষয়টি জানা গেল - ঐশীর মত আরও অনেক ছেলে-মেয়েই ড্রাগ নেয় কিন্তু পরিবারে এরকম বড় আকারের ঘটনা ঘটে না তার কারণ কি? কারণ মাদক ক্রয়ের পর্যাপ্ত টাকা তাদের হাতে থাকে এবং অনেকক্ষেত্রে তাদের পরিবারই জেনে শুনে টাকা দেয়। কারণটা সহজবোধ্য। টাকার অভাবে ড্রাগ কিনতে না পারলে এদের আক্রমণের প্রথম টার্গেট হয় পরিবারের সদস্যরা - এতে পারিবারিক অশান্তি ছাড়াও সামাজিক অশান্তি তৈরী হয় - ফলে মাদকাসক্ত সন্তানকে ঠান্ডা রাখার জন্য কম বেশী সাপোর্ট দিতেই হয়।

কিছুদিন আগেই একজন মাদক সম্রাটকে কেন্দ্র করে নির্মিত চলচ্চিত্র নিয়ে একটা ব্লগ লিখেছিলাম - ঐশীর ঘটনায় আরেকবার শেয়ার দেয়ার আগ্রহ বোধ করছি।

http://www.darashiko.com/2013/06/blow-jhonny-depp/

 

শুক্রবার, ১৬ আগস্ট, ২০১৩

ভালোবাসা আজকাল: কুমিরের পিঠ খাজকাটা

ফাঁকিবাজ ছাত্র আর কুমিরের খাজকাটা পিঠ – গল্পটা জানেন? পরীক্ষায় যে বিষয়েই রচনা লিখতে বলা হোক না কেন – পিতা মাতার কর্তব্য, আমার প্রিয় শিক্ষক অথবা পলাশীর যুদ্ধ - ছাত্র ঘুরে ফিরে শেষ পর্যন্ত সেই খাজকাটা পিঠের অধিকারী কুমিরের রচনা লিখে দেয়। ঈদে মুক্তিপ্রাপ্ত তিনটি চলচ্চিত্রের মধ্যে অপেক্ষাকৃত বেশী সফল পি এ কাজল পরিচালিত এবং শাকিব খান-মাহি জুটির প্রথম চলচ্চিত্র ‘ভালোবাসা আজকাল’ একটি বিনোদনমূলক ‘কুমিরের পিঠ খাজকাটা’ চলচ্চিত্র।

রবিবার, ১১ আগস্ট, ২০১৩

খাবারের নাম প্যাগপ্যাগ

নতুন একটা খাবারের সাথে পরিচয় করিয়ে দেই।

খাবারের নাম প্যাগপ্যাগ। ফিলিপিনো শব্দ, যার অর্থ ইংরেজিতে হয় 'Shake Off'। উপকরণ প্রধাণত মুরগী, গরু বা শুকরের মাংস। প্যাগপ্যাগ রান্না করে খাওয়া যায় আবার ইন্সট্যান্টও খাওয়া যায় - তবে রান্না করা অবস্থায় গ্রহনযোগ্যতা বেশী। প্যাগপ্যাগের উপকরণ সংগ্রহ করে ভালো করে ধোয়া হয়, তারপর কুচি কুচি করে কাটা হয়। তারপর টুকরোগুলোকে ডুবানো গরম তেলে ভেজে নিলেই তৈরী হয়ে গেল প্যাগপ্যাগ। প্রধান উপকরণ মাংস হলেও এর দাম তুলনামূলকভাবে বেশ সস্তা। এর প্রধাণ কারণ হল প্যাগপ্যাগের উপকরণ সংগ্রহ করা হয় বিনামূল্যে। সাধারণত ফাস্টফুড রেস্টুরেন্টগুলোর ডাস্টবিন থেকে খদ্দেরদের ফেলে দেয়া উচ্ছিষ্ট অংশ সংগ্রহ করে প্রক্রিয়াজাত করে তৈরী হয় প্যাগপ্যাগ। বলা বাহুল্য, প্যাগপ্যাগের প্রধান খদ্দের এক্সট্রিম পোভার্টিতে থাকা মানুষজন। 

প্যাগপ্যাগ বাংলাদেশের খাবার নয় - সেজন্য স্রষ্টাকে ধন্যবাদ দেয়া যেতে পারে। তবে প্যাগপ্যাগ না থাকলেও সেরকম কোন খাবার কি বাংলাদেশে বিক্রি হয় না? রেস্টুরেন্টগুলো, বিশেষ করে বুফে রেস্টুরেন্টগুলোর ডাস্টবিন থেকে কি উচ্ছিষ্ট সংগ্রহ করে না কেউ?

ঈদের খাবার সহ সকল খাবার গ্রহণের সময় 'প্যাগপ্যাগ'র কখা মনে রাখুন - খাবার অপচয় বন্ধ করুন। ঈদ মোবারক।

শনিবার, ১০ আগস্ট, ২০১৩

ঈদ মোবারক ২০১৩

১. পাশাপাশি দুটো সিনেমার পোস্টার। ভালোবাসা আজকাল এবং মাই নেম ইজ খান। একটায় নায়ক শাকিব খান সাদা ফুল শার্টের নিচে হাটু পর্যন্ত হাফপ্যান্ট পড়ে উন্মুক্ত সতর ঢাকার চেষ্টায় লজ্জিত মুখে নুয়ে পড়েছেন। পাশেরটায় নায়িকা মাহির উন্মুক্ত উরুর সামান্য ঢেকে আছে গায়ের টিশার্টে - সতর দূরে থাক, তার শরীরে উরু আছে কিনা সে ভাবনার প্রকাশও তার চোখে-মুখে নেই। অদ্ভুত অবস্থা!

২. গত এক মাসে বিভিন্ন অযুহাতে যারা রোজা রাখার চেষ্টা করেন নাই, কিন্তু তাই বলে বিভিন্ন ইফতারীর প্রোগ্রামে জমজমাট ইফতারী, কখনো কখনো আল-রাজ্জাকে সেহরীর সুযোগ মিস করেন নাই - তারা মহানন্দে ঈদ উদযাপন করছেন - অদ্ভুত অবস্থা!!

৩. রোজাদার-নামে রোজাদার-বেরোজাদার এবং ভালো মুসলমান-নামে মুসলমান-অমুসলমান - সবাইকে ঈদ মোবারক - অদ্ভুত অবস্থা!!!

শুক্রবার, ৯ আগস্ট, ২০১৩

সিটি অব গড-র এক দশক

City-of-God-Blu-rayক্রাইম ড্রামা ঘরানার প্রিয় ছবির তালিকায় সিটি অব গড নেই – এমন দর্শক পাওয়া কঠিন। ব্রাজিলের বস্তি এলাকায় কিশোর ছেলেরা কিভাবে ছোটবেলা থেকেই অস্ত্র আর ড্রাগের ক্ষমতায় বড় হয়ে উঠে তার নিষ্ঠুর চিত্র পাওয়া যায় সিটি অব গড চলচ্চিত্রে। ফার্ণান্দো মেরিলে পরিচালিত এই ছবি সমবয়সী দুটো কিশোরের ভিন্ন দুটো গতিপথে বড় হয়ে উঠার কাহিনী – একজন ফটোগ্রাফার, অন্যজন ড্রাগ ডিলার। মূলত এ দুজন কিশোরের গল্পের মাধ্যমে ফুটে উঠে ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোর বস্তি এলাকা ‘সিডাজে জি ডিউ’ বা সিটি অব গড এর বাস্তবতা। সিটি অব গড এর দর্শকের কাছে আগামী বিশ্বের সুপারপাওয়ার পাঁচ রাষ্ট্রের অন্যতম ব্রাজিলের এই চিত্র সামঞ্জস্যপূর্ণ মনে হয় না, তার প্রধাণ কারণ সম্ভবত ব্রাজিলের এই দিকটি সম্পর্কে সিনেমা দর্শকের অজ্ঞানতা। ২০০২ সালে নির্মিত সিটি অব গড সিনেমায় যে এলাকার গল্প বলা হয়েছে তার বর্তমান অবস্থা কিরকম সেটা তুলে ধরা হয়েছে আরেকটি ডকিউমেন্টারিতে, নাম – সিটি অব গড: টেন ইয়ারস লেটার। স্বাভাবিকভাবেই সিটি অব গড এর বিভিন্ন চরিত্রে অভিনেতাদের বর্তমান অবস্থা উঠে এসেছে, তবে সে গল্প পড়ে, আগে সিটি অব গড যে পটভূমিতে নির্মিত সেটা সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক।