575371_310015529067395_609275428_n

২০১৩ সাল চলে এসেছে দশ দিন হয়ে গেল। ২০১২ সাল নানা ঘটনার মাধ্যমে দেশের বঞ্চিত দর্শকশ্রেণীকে কিছু আশার আলো দেখিয়েছে। বিশেষ করে, ডিসেম্বর মাসের তৃতীয় সপ্তাহে চোরাবালি-র মুক্তি অনেক দর্শককে আবারও হলে নিয়ে গিয়েছে, এদের বিশাল একটা অংশ হল তরুন সমাজ, যারা ছোট স্ক্রিনে ভিনদেশী সিনেমা দেখে অভ্যস্ত। বছরে একবার সিনেমা হলে গেলেই সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি পাল্টে যাবে না, এই দর্শককে বারবার সিনেমা হলে নিয়ে যেতে তো হবেই, পাশাপাশি আরও দর্শক যারা দীর্ঘদিন যাচ্ছেন না, বা কখনোই যান নি তাদেরও নিয়ে যেতে পারলেই দেশের চলচ্চিত্র শিল্প ঘুরে দাড়াতে পারে, লোকসানি একটি প্রতিষ্ঠান এফডিসি হয়তো লাভের মুখ দেখাবে তখন। দর্শককে হলে নিয়ে যাওয়ার একটাই উপায়- সেটা হল সিনেমা। বছরের একদম শুরুতেই তাই দেখা যাক - কি কি সিনেমা আসার সম্ভাবনা আছে এ বছরে এবং তা দর্শককে সত্যিই হলে নিয়ে যেতে পারবে কিনা।

 ১. টেলিভিশন


220px-Television_Film_Posterআগামী ২৫ জানুয়ারী মুক্তি পাবে মোস্তফা সরয়ার ফারুকী পরিচালিত চলচ্চিত্র 'টেলিভিশন'। (সূত্র: বাংলানিউজ)। সিনেমাটি এর মধ্যেই আলোচনা তৈরী করেছে পুসান চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপনী চলচ্চিত্র হিসেবে নির্বাচিত হওয়ার মাধ্যমে। ফারুকীর ছবির প্রতি আগ্রহ অনেকের, এই ছবিও ভালো ব্যবসা করবে, অনেক দর্শক হলে নিয়ে যাবে স্বাভাবিকভাবেই।


'টেলিভিশন' চলচ্চিত্রের গল্প হচ্ছে নতুন দিনের সঙ্গে পুরনো দিনের সংঘাতপূর্ণ সম্পর্ক এবং এই সম্পর্কের লেনদেনের মধ্য দিয়ে নতুন দিনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার কথা বলা। পাণ্ডুলিপি রচনায় আনিসুল হক এবং মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, তিশা, শামীম শাহেদ প্রমুখ।

২. পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনী


ছোট পর্দার জনপ্রিয় নাট্যকার রুম্মন রশীদ খানের গল্পে সাফিউদ্দিন সাফি'র পরিচালনায় তৈরী হচ্ছে 'পূর্ণদৈর্ঘ্য প্রেম কাহিনি'। নামের মতই এই সিনেমার কাস্টিংও চমৎকার - শাকিব খান ও জয়া আহসান। রুম্মান রশিদের কথা থেকেই জানা যাচ্ছে, গল্প অনেকটা এফডিসি মার্কা। (সূত্র: সংবাদ২৪.নেট) সাফিউদ্দিন সাফি গেল বছরে শাকিব খান অভিনিত 'ঢাকার কিং' সিনেমার নির্মাতা। শেষ পর্যন্ত কি সিনেমা তৈরী হবে তা সিনেমা মুক্তির আগ পর্যন্ত বোঝা সম্ভব নয়। জয়া আহসানের কারনে অনেক দর্শকই মানসিকভাবে প্রস্তুত হলে গিয়ে সিনেমা দেখার জন্য, তবে প্রথম দুই-তিনদিনের রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করবেন এমন দর্শকও কম নয়।



৩. পারলে ঠেকা


'পারলে ঠেকা' সিনেমায়ও জয়া আহসান। এর মধ্যেই একটি টিজার গান এবং অদ্ভুত পোশাকের কারণে ছবিটা আলোচনার বিষয়ে পরিণত হয়েছে। এই সিনেমার পরিচালকের নাম সামুরাই মারুফ। ৩০১৩ সালের এর ক্ষিপ্র নারী চোরের সাথে ২০১২ সালের এক প্রতিভাবান বিজ্ঞানির প্রেম কাহিনী নিয়ে সিনেমাটি তৈরী হচ্ছে। এখন পর্যন্ত একটি গান শ্যুটিং হওয়ার সংবাদ পাওয়া গিয়েছে - শেষ পর্যন্ত ২০১৩ সালে এই সিনেমা মুক্তি পাবে কিনা এখনি বলা যাচ্ছে না।


598398_509157849114696_1542275394_n


৪. প্রিয়তমা আমি দাঁড়ি তুমি কমা


এই ছবির পরিচালকের নাম মোহাম্মদ আলী পারভেজ, নায়কের নাম নিলয়। এই দুজন পরিচিত না হলেও এখন অনেকেই নায়িকা আইরিনের নাম জানেন। আইরিন একজন র‌্যাম্প মডেল। ছবির শ্যূটিং শুরু হয়েছে গেল বছরের প্রথমভাগে। সাম্প্রতিক আপডেট জানা নেই। দেখা যাক র‌্যাম্প মডেলের সিনেমা কেমন হয়। (সূত্র: প্রবাসবার্তা)



198710_416462035068729_2138034030_n৫. এ কেমন প্রেমের গল্প


এই সিনেমাও আইরিনের। বিপরীতে আছেন আরেফিন শুভ। পরিচালনায় ফয়সাল রাব্বি। সব ছবির মতই এই ছবির গল্প ভিন্নরকম - কতটা ভিন্নরকম হবে সেটা জানার জন্য অপেক্ষা করতে হবে সিনেমা মুক্তি পর্যন্ত - যদি এ বছরে সিনেমাটি মুক্তি পায়। এবছর জানুয়ারীতে সিনেমার শ্যুটিং শুরু হওয়ার কথা। তথ্যসূত্র: লাইভপ্রেস



৬. রান


অভিনেত্রী আফসানা মিমি পরিচালিত সিনেমার নাম 'রান' যা প্রথম অবস্থায় 'ক্যাম্প' নামে পরিচিত ছিল। মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপন্যাস অবলম্বনে এই সিনেমার গল্প মুক্তিযুদ্ধকেন্দ্রিক। সিনেমার শ্যূটিঙ শুরু হয়ে গেছে। মুক্তিযুদ্ধের ছবি বলে হয়তো বিজয় দিবস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।



৭. ফেরা (রিটার্ন অব দ্য সেইন্ট)

এই ছবিতে অভিনয়ের জন্য বাছাই করা হয়েছে ভারতের টিভি সিরিয়াল অভিনেত্রী রিতাভারিকে। ছবি পরিচালনা করবেন জুনায়েদ মোস্তফা চৌধুরী। জানা গিয়েছিল এই সিনেমার অন্যান্য শিল্পী নির্বাচন করা হয় নি। সুতরাঙ, এ বছর মুক্তি পাওয়া যাবে কিনা সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। (তথ্যসূত্র: বিডিনিউজ)


৮. নি:স্বার্থ ভালোবাসা

এম এ জলিল অনন্ত'র প্রথম পরিচালিত ছবি। ইতোমধ্যেই ট্রেলার মুক্তি পেয়েছে, আগামী ফেব্রুয়ারীর দ্বিতীয় সপ্তাহে মুক্তির তীব্র সম্ভাবনা আছে। ট্রেলার দেখেই বোঝা যাচ্ছে এই ছবিও বাকী ছবিগুলোর মত অনেক কৌতুকের জন্ম দেবে, যদিও সিনেমার জন্য অনন্তর প্রচেষ্টা দেখে ভালো লাগছে।

 

৯.  না-মানুষ

অনিমেষ আইচ বানাচ্ছেন ছবি, নাম ‘না-মানুষ’। শ্যুটিং শুরু হয়ে গেছে। অনিমেষ আইচ ভালো নির্মাতা, তার ছবির প্রতি আগ্রহ থাকবেই। আশা করা যায় এ বছরই ছবিটি মুক্তি পাবে।


podmo-patar-jol১০. পদ্ম পাতার জল

তন্ময় তানসেন বানাচ্ছেন ‘পদ্ম পাতার জল’। নায়ক ইমন, নায়িকা বিদ্যা সিনহা মীম। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন বিখ্যাত গীতিকার লতিফুল ইসলাম শিবলী। একজন কবির সাথে একজন বাঈজীর প্রেম নিয়ে এই ছবি নির্মিত হচ্ছে। প্রথম পর্বের শ্যুটিং ইতোমধ্যেই শেষ হয়েছে। এ বছর মুক্তি দেয়ার জন্য দ্রুতগতিতে ছবি নির্মানের কাজ চলছে। ইমন-মীম কতটুকু ভালো অভিনয় করবে তার উপর সিনেমার সাফল্য নির্ভর করলেও দর্শক হিসেবে আশা করছি ছবিটি ভালো হবে।


আরও যত চলচ্চিত্র

আরও অনেক চলচ্চিত্রের নাম শোনা যায় যাদের কোনটা এ বছর মুক্তি পাবে, কোনটা আগামী বছর। একনজরে এরকম কিছু সিনেমার নামের মধ্যে লালটিপ ছবির নির্মাতা স্বপন আহমেদ এর মিশন প্যারিস এবং পরবাসিনী, মোস্তফা কামাল রাজ পরিচালিত ‘ছায়া-ছবি’, শঙ্খ দাশগুপ্তের ‘হ্যালো অমিত’, বিজ্ঞাপন নির্মাতা সৈয়দ নাবিল আশরাফ পরিচালিত ত্রিভুজ প্রেমের ছবি ‘ভালোবাসার রংধনু’, বাংলাদেশ ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত ‘সীমারেখা’, তানভীর মোকাম্মেল পরিচালিত ‘জীবনঢুলি’, সোহেল আরমান পরিচালিত ‘এই তো প্রেম’, সাইদুর রহমান মানিক এর ‘দেহরক্ষী’, সরদার সানিয়াত পরিচালিত ‘অল্প স্বল্প প্রেমের গল্প’, ইফতেখার আহমেদ ফাহমি পরিচালিত ‘টু বি কন্টিনিউড’ ইত্যাদি। এদের মাঝে ‘হ্যালো অমিত’, ‘সীমারেখা’, ‘এই তো প্রেম’, ‘দেহরক্ষী’ খুব শীঘ্রই মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা আছে।


এফডিসি নির্ভর চলচ্চিত্র

২০০৮ সাল থেকে প্রতি বছর মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমার সংখ্যা কমেছে। ২০১২ সালে এই সূচক আবার উপরের দিকে মুখ ঘুরিয়েছে। ২০১৩ সালে সে উপরের দিকেই যাত্রা অব্যাহত রাখবে বলে ধারনা করা হচ্ছে। অনেকগুলো সিনেমা নির্মিত হওয়ার পরও মুক্তি দেয়া হয় নি, এদের বেশ কিছু এ বছর মুক্তি পাবে। এছাড়া নির্মানাধীন অনেক ছবির কাজ সমাপ্ত হওয়ার পর মুক্তি পাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ ধরনের ছবির তালিকায় আছে দেবদাস, সৌভাগ্য, জোর করে ভালবাসা হয় না, জজ ব্যারিস্টার পুলিশ কমিশনার, দুই পৃথিবী, অপমানের জ্বালা, স্বপ্নের বিদেশ, বিচার আমি করবো, মনের ঠিকানা, জান তুমি প্রাণ তুমি, লোভে পাপ পাপে মৃত্যু, নিঃস্বার্থ ভালবাসা, ইভটিজিং, জলরং, আদরের ভাই, এক জবানের জমিদার হেরে গেলেন এইবার, জান, অবুঝ ভালবাসা, পুত্র এখন পয়সাওয়ালা, এমনও তো প্রেম হয়, এই তো ভালবাসা, দুখু মিয়া, লীলামন্থন, এলিয়েন এখন ঢাকায়, পৌষ মাসের পিরিতি, শর্টকাটে বড় লোক, শিরি ফরহাদ, কাছের শত্রু, নষ্ট ছেলে, বউপাগল, ছলনাময়ী নারী, কেন আমি সন্ত্রাসী, কালো বিড়াল, তুষের আগুন, পাগলের বিয়ে, লড়াকু সন্তান, ট্রাম কার্ড, কাঁকন দাসী, মন যারে চায়, কাঁটা দাগ, মিশন সিআইডি, সাহসী কন্যা, নমুনা, পাগল তোর জন্য রে, কমিশনার, জনতার ডাক, মাটির পিঞ্জিরা, কষ্ট আমার দুনিয়া, আদম, নীলাঞ্জনা, তোমার মাঝে আমি, সুন্দরী গুলবাহার, শোয়াচান পাখি, অনিশ্চিত যাত্রা, সূচনা রেখার দিকে, রূপগাওয়াল, সবুজ কেন অপরাধী, ছোট্ট একটা ভালবাসা, মুক্তি, জটিল প্রেম, ক্ষোভ, শিখন্ডী কথা, জোনাকির আলো, আয়না কাহিনী, কিস্তির জ্বালা, প্রেম মানেই পাগলামী, হেডমাস্টার, পোড়া মন, জোর করে ভালবাসা যায় না, মায়ের মতো বোন, ১০১ দিনের চ্যালেঞ্জ, রক্তাক্ত প্রেম, প্রেমের নদী, প্রতিবাদী সন্তান, মন খোঁজে বন্ধন, লাবু এলো শহরে, অন্তরে প্রেমের আগুন, কাছে এসে ভালবাসো, বিয়ে হলো বাসর হলো না, পাগল প্রেমিক, নষ্ট হওয়ার কষ্ট, আসবো না ফিরে, টিম বাংলাদেশ, লাভ ইউ প্রিয়া, তবুও তুমি আমার, সংগ্রাম, না বলা ভালবাসা, আমি তুমি সে এবং এই তো সময় ভালবাসার। (সূত্র: মানবজমিন)


আসবে ভারতীয় ছবিও

নয়টি হিন্দী ছবি আসবে বলে কথা শোনা যাচ্ছে গত বছরের পুরোটা ধরেই। এই ছবিগুলো মুক্তি পাবে এ বছর। এগুলো হল শোলে, থ্রী ইডিয়টস, তারে জামিন পার, কাভি খুশি কাভি গাম, কুছকুছ হোতা হ্যায়, ওয়ান্টেড, দিল তো পাগল হ্যায়, দিলওয়ালে দুলহানিয়া লেযায়েঙ্গে এবং ধুম টু। এ সকল ছবির সবগুলোই এদেশের দর্শকের কাছে পরিচিত হলেও শুধুমাত্রা বড় পর্দায় দেখার আগ্রহে অনেক দর্শকই হলমুখী হবে।


২০১৩: আশার বছর, আশঙ্কার বছর

এত এত সিনেমার নাম দেখে আশাবাদী হওয়ার সুযোগ যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে আতঙ্কিত হবার মত বিষয়ও। ডিজিটাল সিনেমার অনুমোদন এবং ডিজিটাল সিনেমা হলের প্রভাব ইতোমধ্যেই টের পাওয়া যাচ্ছে। স্বল্প ব্যায়ে অখাদ্য ডিজিটাল ছবি নির্মিত হয়ে মুক্তি দেয়া হয়েছে হলগুলোতে। এধরনের আরও ছবি নির্মানাধীন। খারাপ ছবি দর্শক দেখবে না, ভালোগুলোই দেখবে – এমন ধারনা করা গেলেও তা কতটুকু বাস্তব হবে সেটা ভেবে দেখবার বিষয়। ছবির প্রযোজক এবং পরিবেশক যে দর্শকের কাছ থেকে পয়সা উসুলের চেষ্টা করবেন সেই দর্শকেরই চাহিদা পূরনের চেষ্টা চালাবেন, ফলে জাজ মাল্টিমিডিয়া পরিবেশিত সাম্প্রতিক ও সম্ভাব্য মুভি তালিকা দেখলে আশংকার পাল্লাই ভারী হয়। আবার, আগের বছরগুলোতে নির্মিত অনেক চলচ্চিত্র এ বছর মুক্তির প্রক্রিয়া চলছে, প্রয়োজনে ডিজিটালে রূপান্তর করে হলেও। এ সকল ছবি কতটুকু চাহিদা পূরণ করবে সেটা প্রশ্ন সাপেক্ষ। পাশাপাশি, দর্শকদের যারা হল বিমুখ এবং যারা হলে ফিরতে শুরু করেছেন তাদের চাহিদা পূরনের জন্য নির্মিত ছবির সংখ্যা কম, শোরগোল বেশী। তার উপর, এই দর্শকের আগ্রহের ছবিগুলোর নির্মাতা নতুন, অভিনেতা অভিনেত্রীরা নতুন। ছবির গল্প যদি আকর্ষনীয় না হয় তবে দর্শক টানতে কষ্টই হবে অনেক নির্মাতার।

আশংকার বিষয় আরও থাকছে। গেল বছরে সরকারের ঘোষনা বাস্তবায়িত হলে এ বছর চলচ্চিত্রে সেন্সরবোর্ড পরিবর্তিত হয়ে যাবে ফিল্ম সার্টিফিকেশন বোর্ডে। সেন্সরবোর্ড থাকা অবস্থায়ই ১৯৯৮ থেকে ২০০৫ পর্যন্ত যে নোংরা ছবি নির্মিত হয়েছে, সার্টিফিকেশন বোর্ডের কল্যাণে সেগুলো আবারও তৈরী হবে না এমন ভরসা করার মত কোন খবর পাওয়া যায় নি। ভারত থেকে আমদানীকৃত ‘আইটেম সং’ এর প্রচলনও আশংকা জাগানিয়া।

সর্বশেষ, আজকের খবরে জানা যাচ্ছে কোলকাতা থেকে তারকা চলচ্চিত্র নির্মাতা-অভিনেতাদের একটি দল এসেছেন বাংলাদেশে তাদের ছবির বাজার নিশ্চিত করতে। বাংলাদেশে ভারতীয় ছবির বাজার তৈরী হলে চলচ্চিত্র শিল্প আয়ের কিছু নতুন উপায় খুজে পাবে সত্যি, কিন্তু ঘুরে দাড়ানোর প্রচেষ্টারত বাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্প কতটুকু মজবুত হয়ে দাড়াতে পারবে তা ভেবে দেখার প্রয়োজন আছে।

এত এত আশংকা সত্যেও আকড়ে ধরার জন্য অদৃশ্য একটি খুঁটি থেকেই যায়। এই খুঁটি বাংলাদেশের খুঁটি যাকে আকড়ে ধরে ঝড়-বন্যা-তীব্র শীতের বাধাকে উপেক্ষা করে মানুষগুলো টিকে থাকে, দেশ এগিয়ে যায় সামনের দিকে। চলচ্চিত্র শিল্পও ঘুরে দাড়াবে, বিশ্বমানের সিনেমা তৈরী হবে এদেশেই – এমন বিশ্বাস তো করাই যায় – চলচ্চিত্রের কলাকুশলীরা সবাই তো বাংলাদেশেরই মানুষ, নাকি?

গুডলাক বাংলা সিনেমা, গুডলাক বাংলাদেশ।