উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত ২০.১ কিলোমিটার দুরত্বে মেট্রোরেল চলবে। প্রতি ঘন্টায় ৬০ হাজার লোক যাতায়াত করতে পারবে মেট্রোরেলে, ভাড়া হবে সর্বনিম্ন ১০ টাকা, সর্বোচ্চ ৬০ টাকা।
দারুন অবিশ্বাস্য একটা খবর। যারা মতিঝিলে অফিস করেন, তারা উত্তরার দিকে জায়গা জমি কিনতে পারেন, অথবা ফ্ল্যাট। মেট্রো রেলে আপনার সময় লাগবে মিনিট বিশেক, সেই তুলনায় ৬০ টাকা খুব কম টাকা। যেখানে আপনার দৈনিক ৫ ঘন্টা সময় লাগতো, সেখানে বেচে যাওয়া ৪ ঘন্টা ২০ মিনিটে আপনি কামাতে পারবেন যাতায়াত ভাড়ার কমপক্ষে পাঁচগুন। স্কুল কলেজের বাচ্চারা পড়াশোনার বাহিরে আরও দুটো কো-কারিকুলার অ্যাক্টিভিটিতে যোগ দিতে পারবে, সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ তৈরী গতিময় হবে নিশ্চিত।
তবে, এজন্য আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে আরও ১২ বছর। বারো বছর পরে ঢাকা শহরের সীমানা উত্তরায় সীমাবদ্ধ থাকবে কিনা, মতিঝিল এলাকায় আরও অফিস দালানকোঠা বাড়ার সুযোগ-প্রয়োজন আছে কিনা, বারো বছর পরেও আজকের দশটাকার মূল্য দশ টাকা থাকবে কিনা, রাস্তায় গাড়ির সংখ্যা বর্তমান সংখ্যায় সীমাবদ্ধ থাকবে কিনা ইত্যাদি ইত্যাদি এই মেট্রো রেল প্রকল্প গ্রহনের সময় বিবেচনা করা হয়েছে কিনা সেটা প্রশ্নসাপেক্ষ।
২০২৪ সালে মতিঝিলের জন্য মেট্রোরেল না, ছাদে ছাদে হেলিপ্যাড দরকার। সকালবেলা আপনার উত্তরার বাড়ির ছাদে উঠে বলবেন, এই হেলিকপ্টার, মতিঝিল যাবা?