১.
আজ বিশ্ব এইডস ডে।
২.
ছোট ভাই আজকে আমার ওয়ালে লিখে গেল -
"হে হে হে!! আজকে যে এইডস দিবস মনেই ছিল না। :D
নিরাপত্তা শুভেচ্ছা দোস্ত। ♥
৩.
২০১০ সালের এই দিনে সামহোয়্যারইনব্লগে একটা পোস্ট লিখেছিলাম। পোস্টটা মুছে দিয়ে আমাকে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছিল। আমি লিখেছিলাম -
এইডস রোধে চাই কন্ডমের ব্যবহার, কন্ডমের ব্যবহারে চাই অবাধ নারীগমন, পুরুষগমন, পায়ুগমন এবং পশুগমনের বৈধতা
বৈধতার প্রথম পর্যায় হলো ডিসেনসিটাইজেশন। সচেতন এবং অবচেতন ভাবে এই ডিসেনসিটাইজেশনের কাজ চলছে। এইডস রোধে যেখানে মূল প্রতিপাদ্য হওয়া উচিত ছিল - "অবৈধ যৌনসংসর্গ পরিহার করা", সেখানে প্রতিপাদ্য হয়েছে, "কন্ডমের ব্যবহারই পারে এইডস প্রতিরোধ করতে"। সাহিত্যিক-নাট্যকার-নির্মাতারা সমাজের বাস্তব চিত্র (!) তুলে ধরতে দেখিয়েছেন অবৈধ সম্পর্ক আর সচেতন এবং সুশীল সম্প্রদায় সকলের অধিকার আদায় করতে গিয়ে দেখিয়েছেন সমকামিতা, পায়ুগামিতার প্রয়োজনীয়তা। বিদ্রুপ করতে গিয়ে আমরা তুলে ধরছি পশুগামিতা। বিদেশী দাতারূপী ব্যবসায়ীরা কোটি টাকার ফান্ড নিয়ে আসছে এই সকল '-গামীতা' রোধে কন্ডম ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে। হুজুর সম্প্রদায়কে কন্ডম ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা বোঝানোর জন্য যে পুস্তিকা প্রকাশিত হচ্ছে তা বিতরন হচ্ছে না-হুজুর সম্প্রদায়ের মাঝে। আবার হুজুর সম্প্রদায়কে দোষী করার জন্য আমরা তুলে ধরছি হুজুর সম্প্রদায়ের নানা কুকীর্তির কথা। বাড়ছে ডিসেনসিটাইজেশন। কন্ডমের উপর নির্ভরশীলতা বাড়বে না তো কি?
এইডস ছড়ানোর সকল রাস্তা খুলে দিয়ে এক কন্ডম দিয়ে আর কতো রোধ করা যাবে?
৪.
অবৈধ যৌনসংসর্গ পরিহার করুন। শুধু এইডস নয়, নানাবিধ শারীরিক ব্যাধি ও মানসিক অশান্তি থেকে নিজে বাচুন, সমাজকে বাচিয়ে রাখুন।
নিরাপত্তা শুভেচ্ছা সবাইকে।