সোমবার, ৩০ মে, ২০১১

প্রতিহিংসার শিকার 'জিয়া উদ্যান'

শিরোনাম নিয়া আমি শংকিত।
জিয়া উদ্যান বলার কারনে সরকার শাবল-বেলচা দিয়া আমার খোমা উপড়ায়া দিতে পারে, যেমনি উপড়ে ফেলা হয়েছিল জিয়া উদ্যানের ফলক। জিয়া উদ্যান হোক আর চন্দ্রিমা উদ্যান - আমি বলবো জিয়া উদ্যান, কারণ আমি প্রথমে জিয়া উদ্যানে গিয়েছিলাম, উদ্যানকে ভালোবেসেছিলাম, বিনা পয়সায় এর বিজ্ঞাপন করেছিলাম। হতে পারে একসময় এর নাম ছিল চন্দ্রিমা, জিয়াকে ফেলে দিয়ে নাম আবারও চন্দ্রিমাই হয়েছে - তাতে আমার কিছু যায় আসে না।

জিয়া উদ্যানে প্রথম গিয়েছিলাম বছর পাচেক আগে, ২০০৬ সালে। বিকেলে গিয়ে সন্ধ্যা পার করে ঘুরলাম। চমৎকার জায়গা। দারুন বাতাস, বেশ গোছানো। সন্ধ্যার পরে রূপ আরও খুললো যেন। ঝকঝকে আলোময় উদ্যান। জিয়ার কবরের চারদিকে সুন্দর লাইটিং। ভালো লাগে। ফেরার সময় লেকের উপরে সেতুটা দেখে মাথা খারাপ অবস্থা। ব্রিজটা আলো ঝলমল। পায়ের নিচে কাচের ভেতরে আলো। দুপাশে ফোয়ারা। একটু পর পর সশব্দে বিশেষ ছন্দে পানি ছুড়ে দিচ্ছে উপরে, নিচ থেকে রঙ্গীন আলো সেই পানির ঝর্ণাকে দৃষ্টিনন্দন করে তুলছে। এই চোখ যা দেখেছিল এই দুই হাত তা লিখতে পারছে না, দুর্ভাগ্য।


নাম ফলক পরিবর্তন কাহিনী (গুগল থেকে নেয়া )


দুবছর আগের দেখা জিয়া উদ্যান (গুগল থেকে নেয়া)


রাতের আলোময় জিয়া উদ্যান (গুগল থেকে নেয়া)

আজ পৌছুতে একটু দেরী হয়েছিল, সন্ধ্যা। ভয়াবহ অবস্থা। উদ্যানের ভেতরে গাছপালার অংশে একটা বাতিও জ্বলছে না। ঘুটঘুটে অন্ধকার। আমার বন্ধু মোবাইল বের করে টর্চ জ্বালালো। এক প্রকার হাতড়েই মূল বেদীতে পৌছানো হলো। আরও হতাশ হলাম। অযত্নে ঘাসের বাগান আর সেই রকম নেই। ঝোপগুলো ছাটা হয় নাই বেশ কিছু দিন। আগে মাঝের কবরের উপরে পিরামিড অংশে কাউকে উঠতে দেয়া হতো না, এখন দলবলে আড্ডাবাজি হচ্ছে সেখানে। মূল কবর অংশে একটাও বাতি জ্বলছে না, ঘুটঘুটে অন্ধকার। আলোর ছিটেফোটা যা পাওয়া যাচ্ছে তার সবটাই মোবাইল টর্চ হতে। আমরাও মোবাইল আলোতে একটু একটু ঘুরে দেখলাম।

বাহিরে দূরে দূরে কিছু কিছু স্ট্রিট লাইট জ্বলছে, তা প্রয়োজনের তুলনায় বেশ অপ্রতুল। জায়গাটা মূলত আলোকিত হয়ে আছে চটপটি আর ফুচকাওয়ালাদের হ্যাজাকের আলোতে। জানা গেল মাস চারেক হলো এই অবস্থা। রাতে কোন বাতি জ্বালানো হয় না, নিরাপত্তারক্ষীদেরকে পাওয়া গেলনা কাউকেই। সেতুর কাছে এসে মনটা চূড়ান্ত খারাপ হলো। অন্ধকার সেতু। ফোয়ার বন্ধ। হয়তো আগত দর্শকরা সব্বাই আমার মতোই স্মৃতির জাবর কেটে চলছে, এ সময়টুকুতে তো উপভোগ করতে হবে !!


জিয়ার কবর


দেয়াল ভর্তি পোস্টারে !!

দোষ শুধু সরকারকে দিলেই হয় না। বিএনপির দোষও আছে। কবরের চারদিকের দেয়াল জুড়ে পোস্টার, জিয়ার ছবি যুক্ত। মাঝে মাঝে বেগম জিয়া কবর জিয়ারত করতে আসেন, তখন হয়তো পোস্টার বিতরনকারীর নাম লক্ষ্য করবেন এবং পরবর্তীবার ক্ষমতায় আসলে তাকে একটি ভালো পদ দান করবেন। আমাদের রাজনীতিকরা কতটা বেকুব আর পদলেহনকারী - এটা বোধহয় তার উপযুক্ত প্রমাণ।

দুবছর বাদে এসেছিলাম, আবার আসবো অন্তত: তিন বছর বাদে, বিএনপি সরকার ক্ষমতায় এলে। প্রতিহিংসার এই কদর্য রূপ দেখতে ভালো লাগে না। হয়তো তিন বছর বাদে আজকের এই দৃশ্য আমি ভুলেই যাবো। ভুলবোই, কারণ আমি আর দশটা মানুষের মতোই সাধারণ বাংলাদেশী, যাদের মাথায় রাজনীতিকরা কাঠাল ভেংগে খায় আর খাওয়া শেয়ে বিচিটা ... ঢুকায়া দেয়, আমরা সন্তুষ্টির হাসি বিতরণ করি।

বৃহস্পতিবার, ২৬ মে, ২০১১

মে'য়ে মাসে সাকিব শাহরিয়ার ;)

নিম্নোক্ত তথ্যের উপর ভিত্তি করে যে ফলাফলে উন্নীত হওয়া যায়:
১. সাকিব শাহরিয়ারের জীবন এখন ডট ডট ডট এ পরিপূর্ন। প্রায় সব স্ট্যাটাসেই ডট ডট ডট রয়েছে।
২. বিরহে বেদনা বিধুর জীবন যাপন চলসে। অবশ্য সাকিব শাহরিয়ারকে সন্দেহ করার কোন কারণ নেই, কারণ তিনি সিঙ্গল।
৩. লাভ লোকসান নিয়া ইদানিঙ বেশী কচলা কচলি চলসে, বোধহয় লাইব্রেরীতে প্রেমাশুনার প্রভাব !!
৪. সাকিব শাহরিয়ারের সাথে আমার কাইজ্জ্যা চলতাসে :)

মে ১:
Sakib Shahriar
I can't express my feelings in word because my writing on Guerrilla is published on financial express.....

মে ৫:
Sakib Shahriar
Keep you AIRTEL phone switched off on 1st June to protest the SMS-flood.

মে ৬:
Sakib Shahriar
chokher jole felbo muche sopno joto dekhechi......

মে ৭:
Sakib Shahriar

শরীরী মানুষ আমি
আশরীরী মন,
শরীরে আর অশরীরে (নাকি শরীরে আর শরীরে ??? আস্তাগাফিরুল্লাহ )
দ্বন্দ সারাক্ষণ।

মে ৮:
Sakib Shahriar
ভোরের তারা রাতের তারা মাকে (মেয়েকে !!!)  জানিয়ে দিস......।

মে৯:
Sakib Shahriar
ami birsthti dekhechi....... ( বৃষ্টির জলে কেদেছি? )

মে ১০:
Sakib Shahriar
can't concentrate.....

মে ১০:
Sakib Shahriar
brishtir chobi akechi........ (কার? বৃষ্টির? বৃষ্টির বাপ কে?, বৃষ্টি কৈ পড়ে? )

মে ১১:
Sakib Shahriar
prokiti kadche sathe porir nupur bajche..... (নুপুরের শব্দে ভেতরে কে নাচে?)

মে ১২:
Sakib Shahriar
ak sukher brishti asechilo khone khone tai mone hoy......... (সুখ শেষে কি হলো? স্ট্যাটাস দিলো .. )

মে ১২: 
Sakib Shahriar
a story of tearssss...... কার স্টোরি? চ্যারেকটার কারা কারা?

মে ১৩:
Sakib Shahriar
Miles to go to materialize my dream.... (কাজী অফিস তো গলির মুখে, দুরত্ব মাত্র ১৫০ গজ)

মে ১৪:
Sakib Shahriar
tomar tulona ami khujina kokhono..... (জানি খুজলেও তোমাকে পাবো না !)

মে ১৪:
Sakib Shahriar is single. (বিজ্ঞাপনের প্রথম ধাপ)

মে ১৫:
Sakib Shahriar
Valobasa onno name bedona, onno name se biroher e aradhonaaaaaa.....

মে ১৮:
Sakib Shahriar
chire geche guiter er tar, bajbe na sur tate ar.....

মে ১৯:
Sakib Shahriar
Dagh theke jay........ (শুধু বান্ধবী থাকে না)

মে ১৯:
Sakib Shahriar
হাল ছেড় না্‌, হাল ছেড় না বন্ধু.........

মে ১৯:
Sakib Shahriar
sesh kotha, ken amon kotha hoy????? (কারণ শেষ কথার সাথে অর্থনৈতিক  সম্পর্ক খুব গভীর)

মে ২১:
Sakib Shahriar
kemon jeno anondo anondo lagche..... (বিয়া না কৈরা বাচছি, আহা কি আনন্দ আকাশে বাতাসে)

মে ২২:
Sakib Shahriar
jodi mon kade tumi chole aso, chole aso.... ak boroshay.....

মে ২৪:
Sakib Shahriar
character is lost everything is lost.......... (অন্যের চ্যারেকটার, নিজের টা কসকো সাবান)

মে ২৫: 
Sakib Shahriar
what a love!!!!!!! (হোয়াট আ গেম !!!!)

মে ২৫:
Sakib Shahriar
Roilo na roilo na sei je amar nana ronger dinguli.......

শুক্রবার, ২০ মে, ২০১১

অটোগ্রাফ: বাজারে, গোপন কথাটি রবে না গোপনে

অটোগ্রাফ পোস্টার

রাজনৈতিক-সম্পাদিত এবং প্রকাশিত:


মাঝে কিছুদিন বেশ পরিমানে রেডিও শোনা হয়েছিল। বাংলাদেশ বেতারের রমরমা যুগ শেষ হয়েছে সেই কবে। এখন রেডিও শোনা মানে হলো এফএম শোনা। এফএম রেডিও মানে গান শোনা। ডিজুস কিংবা গ্রামীনফোনের বিজ্ঞাপন কিংবা আরজেদের বকবক শুরু হওয়া মাত্রই এক ক্লিকে পরের চ্যানেলে, যদি সেখানেও একই অবস্থা হয় তো পরের চ্যানেলে – কোন না কোনটাতে গান চলতে থাকেই, আমিও মন না দিয়ে শুনি।