সোমবার, ২১ মার্চ, ২০১১

Spellbound: আলফ্রেড হিচকক মুভি

আলফ্রেড হিচককের খুব বেশী মুভি দেখার সৌভাগ্য হয়নি। কিছুদিন আগে দুটো মুভি পেলাম, তার একটি ভার্টিগো অন্যাটি স্পেলবাউন্ড। গ্রেগরি পেক এর কোন মুভি এর আগে দেখা হয়নি, স্পেলবাউন্ড সেই দিক থেকে বন্ধ্যাত্ব মোচন করেছে।


একই সাথে প্রেম এবং ডিটেকটিভ কাহিনীর এক অপূর্ব সমাবেশ স্পেলবাউন্ড মুভিতে। এই ঘটনা বোধহয় হিচককের প্রায় মুভিতেই আছে, ভার্টিগোতেও দেখলাম। কিন্তু এই মুভির বৈশিষ্ট হল এখানে সমস্যাগুলো সাইকোলজিক্যাল। কিছু সাইক্রিয়াটিস্টকে নিয়েই এই মুভি যেখানে আছে প্রেম, হত্যা, পলায়ন, পুলিশ, সমাধান এবং শাস্তি।

বৃহস্পতিবার, ১৭ মার্চ, ২০১১

তিনটি Exorcism Movie

এক্সরসিজম মুভিকে হরর মুভি বলতে আমার একটু আপত্তি আছে। এক্সরসিজম সিনেমাগুলো মানুষের বিশ্বাস নিয়ে খেলা করে। মানুষের উপর খারাপ কিছু প্রভাব বিস্তার করে বা করতে পারে এবং তা অন্য কিছু মানুষ তাদের আধ্যাত্মিক ক্ষমতা দ্বারা দূর করতে পারেন - এটা মানুষের চিরন্তন বিশ্বাস। একে টলানো সম্ভব কিন্তু উপড়ে ফেলা সম্ভব না। তাছাড়া, এর ব্যাখ্যায় বিজ্ঞান সবসময় সফলতা অর্জন করতে পারে নি, ফলে বিজ্ঞানকেই একমাত্র গ্রহণযোগ্য হিসেবে গ্রহন করা হয়ে উঠে না। সবচে' বড় কথা হলো, বিশ্বাস কোন বিজ্ঞানের উপর ভিত্তি করে তৈরী হয় না, বিশ্বাস বিশ্বাসই, বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা নয়।

মঙ্গলবার, ১৫ মার্চ, ২০১১

The Exorcist: সেরা এক্সরসিজম মুভি


১২ বছরের ছোট্ট বালিকা রিগান এর বাসায়, বিশেষত তার রুমে কিছু একটা উপদ্রব শুরু করেছে।তার বিছানাকে কাপিয়ে দেয়, রিগানের আচরনেও কিছুটা পরিবর্তন দেখা যেতে থাকে, মাঝে মাঝে পুরুষের কণ্ঠস্বর, গোঙ্গানী শোনা যায়। ডাক্তাররা বয়:সন্ধি এবং ব্রেইনের সমস্যা মনে করে নানান পরীক্ষা করে কিন্তু ফলাফল শূন্য। এক্সরসিজমের জন্য আসেন ফাদার ডেমিয়েন কারাস, যিনি নিজেই কিছুটা বিশ্বাস অবিশ্বাসের দোলায় আছেন।