রবিবার, ২৮ মার্চ, ২০১০

ফটোগ্রাফারদের ক্যামেরা থাকে না, ছবিও উঠে না


'৯০ সালের কথা।





মামাতো-খালাতো ভাইবোনরা মিলে বেড়াতে গিয়েছি, ময়মনসিংহে ব্রহ্মপুত্র নদীর তীরে, ছোট মামার সাথে। একটু পর পরই মামা সবাইকে একত্র করে ছবি তুলছেন। একটা গ্রুপ ছবি তোলার সময় ফ্লাশটা বোধহয় একটু বেশীই চমকালো, ছবি তোলা শেষ হলে তাই হাসিমুখে মামাকে বললাম, 'সূর্যের মতো লাগে'! মামা ভাইবোন সবাইকে সরিয়ে দিয়ে নদীর তীরে একটা সিমেন্টের তৈরী বেঞ্চিতে আমাকে বসিয়ে বললেন, 'আবার বলতো মামা..' আমি বললাম, 'সূর্যের মতো…' মামা ক্লিক শব্দে ছবি তুললেন। গোল করা ঠোটের সেই ছবিটা একটা ইতিহাস হয়ে গেল, অন্তত: আমার কাছে… কারণ বয়সটা আমার সবে পাঁচ আর এই প্রথম আমার ছবি তোলা হল।





মঙ্গলবার, ২৩ মার্চ, ২০১০

অন্তহীন: অন্তর্জালিক ভালোবাসায় অন্তহীন অপেক্ষা



ভালোবাসা  তার প্রকাশভঙ্গী পাল্টেছে, পাল্টেছে তার নির্মান পদ্ধতি কিন্তু প্রাচীনতম অনুভূতি এই ভালোবাসার ফলাফল কতটুকু অপরিবর্তনীয় আছে? অতীতের প্রেম-ভালোবাসা কতটুকু সুখ এনে দিত আর এখনকার প্রেমই বা কতটুকু দিতে পারে- কিংবা যাকে ভালোবাসা হলো তাকে কতটুকুই বা জানা হলো, কবে তাকে পুরোপুরি পাওয়া গেল, কতদিনই বা অপেক্ষা করতে হবে পুরোটা জানার জন্য, পাবার জন্য – এ সবই অন্তহীন প্রশ্ন। বোধহয় এই অপেক্ষা অন্তহীন, শেষ হবার নয়। অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী তার অন্তহীন ছবিতে এর জবাব দেবার সামান্য চেষ্টা করেছেন।

সোমবার, ১ মার্চ, ২০১০

Avater & 2012

সায়েন্স ফিকশন মুভির যাত্রা শুরু হয়েছিল সিনেমার ইতিহাসের একদম গোড়াতেই। ১৯০২ সালে নির্মিত একটি শর্ট ফিল্মকে প্রথম সায়েন্স ফিকশন মুভি হিসেবে গন্য করা হয়। একশ বছরের ব্যবধানে সায়েন্স ফিকশন মুভি তার অবস্থান শক্ত করে নিয়েছে সিনেমার বিভিন্ন বিভাগগুলোর মধ্যে, গড়ে তুলেছে সায়েন্স ফিকশন প্রেমী একদল ভক্ত দর্শক যারা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে থাকে নতুন নতুন সায়েন্স ফিকশন মুভির জন্য। আর তাদের প্রত্যাশা পূরন করার জন্যই প্রযোজক-পরিচালকরা তাদের সর্বশক্তি নিয়োগ করে প্রত্যাশাতীত কিছু উপহার দেয়ার জন্য। ২০০৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সায়েন্স ফিকশন মুভিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশী আলোচিত মুভি হল অ্যাভাটার। আরেকটি আলোচিত মুভির নাম ২০১২।

নবীজি (স) কে নিয়ে চলচ্চিত্র

বিশ্ববিখ্যাত ফিল্মমেকার স্ট্যানলি কুব্রিক  যখন তার ২০০১: এ স্পেস ওডিসি নামক মুভিটির মুক্তি দিলেন, তখনই সিনেমাবোদ্ধারা বুঝতে পেরেছিলেন, অবশ্যই এই সিনেমা ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিবে। ৪০ বছর পরে আজকের এই সময়ে তাদের ধারনার সত্যতা প্রমান পাওয়া যায়, সিনেমার পাতায় স্থান করে নিয়েছে ২০০১: এ স্পেস ওডিসি। কি ছিল এই সিনেমায়? পুরো মুভিটিকে চারটি ভাগে ভাগ করে দেখিয়েছিলেন কুব্রিক – এর প্রথম ভাগে ছিল বিবর্তনপূর্ব মানুষের বানর রূপ এবঙ পরবর্তী অংশগুলোতে দেখিয়েছেন ভবিষ্যত পৃথিবীর সকল ঘটনা, যেখানে রয়েছে স্পেসশিপ, ভিন্নগ্রহে যাতায়াত ইত্যাদি। ২০০৬ সালে জনপ্রিয় অভিনেতা মেল গিবসনের পরিচালনায় অ্যাপোকেলিপ্টো সিনেমা মুক্তির পরেও এ ধরনের গুঞ্জন শুরু হয়েছিল, কারণ সভ্যতা বিবর্জিত এক মানবসমাজের কাহিনী তুলে ধরেছিলেন তিনি। একই বছর ৩০০ নামে একটি মুভি মুক্তি পায় যেখানে খ্রীষ্টপূর্ব ৪৮০ সালের এক যুদ্ধের ঘটনা বিবৃত হয়েছে। এ সকল সিনেমা ছাড়াও আরও যে সকল ইতিহাস নির্ভর সিনেমা মুক্তি পেয়েছে তার প্রায় সব কটিই ব্যবসা সফল এবং জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।