দ্যা সিক্সথ সেন্স । ডিরেক্টর এম. নাইট শ্যামালান ভালোই দেখিয়েছেন তার এই মুভিতে। ব্রুস উইলিসের কুল অভিনয়টা বস্ ।

কাহিনীটা কিন্তু আধাভৌতিক। কোল নামের এক ছেলে ভয়াবহ এক সমস্যায় আক্রান্ত। সমস্যাটা মানসিক নাকি সত্যি- তার দ্বন্দ্ব মুভির আদ্দেকটা জুড়ে। ৯ বছর বয়সি এক ছেলে কেন এত চুপচাপ, কারও সাথে মিশে না, কেন একা একা খেলে, কি তার সেই সিক্রেট - সব প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়েছে এ মুভিতে।
ব্রুসের চরিত্র ম্যালকম নামের এক চাইল্ড স্পেশালিস্টের যে কিনা সবচাইতে গুরুত্ব দেয় বাচ্চাদের বিভিন্ন ধরনের মানসিক সমস্যার সমাধান করাকে। তার বউ এ কারনে তার উপর দুঃখিত। কিন্তু কোলের সমস্যাকে গুরুত্ব না দিয়ে পারেনি ম্যালকম।
কোল তার সিক্রেটটা বলেছিল ম্যালকমকে- সে মৃত ব্যাক্তিদের দেখতে পারে। তারা তার সাথে কথা বলে, কোলকে দিয়ে কিছু কাজ করিয়ে নিতে চায়, কিন্তু ভীতু কোল বুঝতে পারে না বলে তারা কোলকে আহত করতে দ্বিধা করে না। 'মৃতরা জানে না যে তারা মৃত, তাই সবার মাঝেই তারা ঘুরে বেড়ায়। তারা যোগাযোগ করে তাদের সাথে যাদের সাথে তারা যোগাযোগের ইচ্ছা করে।'ম্যালকম কোলের কথা বিশ্বাস করে, তারপরেই সমস্যার সমাধান হতে শুরু করে। কোল এবং ম্যালকম এক কিশোরী মেয়ের মৃত্যু রহস্য ভেদ করে। কোলের ভয় কেটে যেতে থাকে, সে স্বাভাবিক হয়ে উঠতে থাকে,কিন্তু ম্যালকমের বউ তার অবহেলায় নতুন একজনের সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে।
কোল তার এই সমস্যার সমাধান করে দেয়। তার দেখানো পদ্ধতি অনুসরন করতে গিয়েই ম্যালকম রূপী ব্রুস আবিস্কার করে আসলে সে নিজেই একজন মৃত ব্যক্তি। মুভির শুরুতেই তার মৃত্যু ঘটনা দেখানো হয়, কিন্তু ম্যালকম আবিস্কার করে শেষ পর্যায়ে এসে। আসলে মৃত ম্যালকম এসেছিল কোলকে সহায়তা করার জন্য এবং তার স্ত্রীকে বলতে যে সে তাকে সত্যিই ভালোবাসে।কাজ শেষ, সুতরাং তার যাওয়ার সময় হয়ে গেল।


ব্রুসের অনবদ্য অভিনয় ছাড়াও কোলের চরিত্রে হ্যালি অসাধারন অভিনয় করেছে। বিশেষ করে শেষে মা-ছেলের কথোপকথন মনে থাকবে।


যারা সাসপেন্স এবং হরর ধর্মী (কিন্তু ফ্রিকি নয়)মুভি দেখতে চান, তাগদর জন্য দ্যা সিক্সথ সেন্স মাস্ট সি মুভি!