এই ব্যক্তির নাম জাবেদ। সে একজন পাওয়ারফুল লোক হতে চায় যে কিনা সমাজের দূর্ণীতিগ্রস্থ লোকদের শাস্তি দিবে।

মটরবাইকে হেনা, পেছনে কামরুল। বোধহয় বলিউড-টলিউডের কোন ছবির দৃশ্য তাদের পছন্দ ছিল।

টিপুর বয়স সতেরো, বাংলাদেশী সিনেমার ভক্ত। সিনেমার কোন এক নায়িকাকে চুমু খাওয়ার শখ পূরণ করছে সে।

ফটোগ্রাফার হেলাল চুমকিকে বলেছিল ব্যাকড্রপের সামনে এমন কোন পোজ দিতে যা তার অপূরণীয় স্বপ্নকে কিছুটা হলেও পূরণ করবে। চুমকি তার বিমানে করে বিশ্বভ্রমণের পোজ দিয়েছে।

Zonoiko Arafat ভাইয়ের কল্যাণে সিএনএন এর এক ফটোগ্যালারীতে ঢোকার সুযোগ হল। সামশুল আলম হেলাল নামের একজন ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফার ছবিগুলো তুলেছেন। তিনি থাকেন ঢাকার জুরাইনে। তার আশেপাশে যে লোকগুলো থাকে তারা দরিদ্র-শ্রেণীর, জীবন-সংগ্রামে রত। মানুষগুলোর জীবনে কিছু শখ আছে, কিন্তু সংগ্রাম থেকে ছুটি নিয়ে সেই শখ পূরণ করার ক্ষমতা তাদের নেই। জুরাইনে একটি প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়া স্টুডিওর মালিকের সাথে কথা বলে ফটোগ্রাফার হেলাল সেই মানুষগুলোর শখ পূরণ করার চেষ্টা করেছেন। তিনি চিত্রশিল্পী দিয়ে নানা ধরনের ছবি আঁকিয়েছেন, তারপর সেগুলোকে ব্যকড্রপ হিসেবে ব্যবহার করে ছবি তুলেছেন। মোট চৌদ্দটি ছবি আছে গ্যালারীতে। প্রত্যেকটা ছবির জন্য আছে একটি করে গল্প। সেই গল্প জানতে হলে সিএনএন এর মূল লিংকে যাওয়া ছাড়া উপায় নেই। লিংক মন্তব্যের ঘরে।