অ্যাঞ্জেলিনা জোলিকে আমার ভালো লাগে, তার বেশ কিছু ছবি সবসময় মনে রাখার মতো। কিন্তু ইদানিং কালের অ্যাকশনধর্মী সিনেমাগুলো চরম বিরক্তিকর লাগছে। বিশেষ করে 'ওয়ান্টেড' সিনেমা দেখার পরে একটা ফোরামে কমেন্ট করেছিলাম - "আমারই দোষ, গাঁজা না খাইয়া সিনেমা দেখতে বসছিলাম। যেখানে গাজা খাইয়া চিত্রনাট্যকার গল্প লেখে, পরিচালক পরিচালনা করে আর জোলি অভিনয় করে সেইটা গাজা না খাইয়া দেখা নিতান্তই অপরাধ বটে"। অবশ্য এই কমেন্টের পরে উক্ত ফোরামে আমাকে কাপড় কাচার মতো করে ধোয়া হয়, অবশ্য তাতে ময়লা দূর হয় নাই।



সিনেমা নিয়ে লেখার সুবাদে আমার দুএকটা বন্ধু বৃদ্ধি হয়েছে। তাদেরই একজন আমাকে সল্ট মুক্তি পাবার আগে খুব আশাবাদ ব্যক্ত করেছিল, হয়তো এটা খুব জোস সিনেমা হবে। সেই হিসেবে আমারও একটু আগ্রহ হয়েছিল, কিন্তু একদিন কালের কন্ঠের রাজকূটে এই সিনেমার রিভিউর শেষ লাইনটা পড়ার সুযোগ হয়েছিল যেখানে লেখক আশংকা করেছিলেন, স্নায়ূ যুদ্ধ নিয়ে নির্মিত সিনেমাটা হয়তো খুব একটা ভালো অবস্থান গড়ে নিতে পারবে না।

আজকে সিনেমাটা দেখলাম, তার ফলাফলই হলো এই ব্লগের হেডলাইন। সল্ট এর পরিচালক ফিলিপ নোয়েস, অনেক সিনেমা বানাইছেন তিনি, আমি চিনসি একটা - দ্য বোন কালেক্টর। সিনেমার শুরুটা ইন্টারেস্টিং - সিআইএর অফিসে এক রাশিয়ান এজেন্টকে ইন্টারোগেট করার সময় সে জানায় খুব শীঘ্রই রাশিয়ান প্রেসিডেন্টকে হত্যা করা হবে আমেরিকাতে বসেই। কাজটি করবে ইভিলিং সল্ট, মজার ব্যাপার হলো ইন্টারোগেট করছে সল্ট বা জলি নিজেই। তারপর কিভাবে ধুমাধুম দুইটা প্রেসিডেন্ট কে হত্যার কাজ কারবার হৈলো, কিভাবে জোলি সব্বাইরে কুপোকাত করে শেষ পর্যন্ত বরফ পানিতে ডুব দিয়া বেচে থাকলো আরও অনেক ইমপ্ল্যান্টেড এজেন্টকে হত্যা করার জন্য এই নিয়া সিনেমার কাহিনী।

মিউজিক ভালো লাগবে।
অ্যাকশন ধুন্দুমার।
গোলাগুলি, কার চেজিং আছে।
কোন সেক্সি কিসিঙ হাগিং নাই (সময় ছিল না)
কাহিনীর কোন বিশ্বাসযোগ্যতা নাই।
শুরুতে জোলির পালানোর অংশটা ভালো লাগবে, তবে জেসন বোর্ন এর তুলনায় একদম বাচ্চা ... ;)
অনেকের ভালো লাগতে পারে, তবে একবারের বেশী দেখার মতো কিছু এই সিনেমায় পাই নাই।

ডাউনলোড লিঙক: http://stagevu.com/video/xjlxjcdtkfvx